Hindmotor: পিঠে উপহারের ঝোলা, বড়দিনের আগেই হিন্দমোটরের এক স্কুলে হাজির সান্তা
নতুন রূপে ছোট ছোট বাচ্ছাদের মুখে হাসি ফোটাতে সান্তা সাজে সকলের সাথে মিশে গেল হুগলি জেলাপরিষদের মেন্টর সুবীর মুখোপাধ্যায়।
রাকেশ চক্রবর্তী, হুগলি: বড় দিনের এখনো বেশ কয়েকটা দিন বাকি।কিন্তু তার আগেই উপহারের ঝোলা নিয়ে হিন্দমোটর এলাকায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন স্কুলে পৌঁছে গেলো সান্তা ক্লস।আর নতুন রূপে ছোট ছোট বাচ্ছাদের মুখে হাসি ফোটাতে সান্তা সাজে সকলের সাথে মিশে গেল হুগলি জেলাপরিষদের মেন্টর সুবীর মুখোপাধ্যায়। এদিন সকালেই চন্দিতলা প্রকৃতির দলকে নিয়ে মুখে সাদা দাড়ি কাধে উপহারের ঝোলা নিয়ে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন স্কুলে এসে হাজির হন সুবীর বাবু।আর বড়দিনের আগেই জেলাপরিষদের মেন্টর কেও সান্তা রূপে পেয়ে সকাল সকাল খুশির হাওয়া বাচ্ছা দের মধ্যে।এদিন সান্তা শুধু একাই আসেনি তার সাথে ছিল বাসি গিটার সহ বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্র।আর সকাল থেকেই বাদ্যযন্ত্রের সুরে এক অন্য মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি হয় হিন্দমোটর বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন স্কুলে।
উপহারের ঝোলা নিয়ে হিন্দমোটর এলাকায় বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন স্কুলে পৌঁছে গেলো সান্তা ক্লস pic.twitter.com/IMfBRurkdo
— TOB DIGITAL (@DigitalTob) December 20, 2025
এদিন স্কুলে ঢুকেই প্রথমে বাচ্ছাদের হাতে কেক চকলেট সহ বিভিন্ন উপহার তুলে দেন সান্তারুপি হুগলি জেলাপরিষদের মেন্টর সুবীর মুখার্জি।হাত নেড়ে সকলের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়ও চলে বাসির সুরের সাথে।আর সকাল সকাল উপহার পেয়ে খুশি সকলেই। এই বিষয়ে জেলাপরিষদের মেন্টর সুবীর মুখার্জী বলেন,এভাবে এই বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন স্কুলের বাচ্ছা দের সাথে বড়দিনের আগেই সময় কাটাতে পারাটা খুবই আনন্দের।তিনি এই বড়দিনের সময় প্রত্যেকদিনেই এভাবে বিভিন্ন জায়গায় এই কাজ করেন।
এইভাবে বাচ্ছাদের সাথে সময় কাটানোর মধ্যে একটা অন্য সুখ খুঁজে পাওয়া যায়।আর প্রশাসনিক এত কাজের চাপের মধ্যে তার এই কাজের মধ্যে দিয়ে একটা চার্জ হওয়া যায়।আর এর মধ্যে দিয়েই ভালো থাকার রসদ পাওয়া যায়। এই বিষয়ে স্কুলের এক আধিকারিক বলেন,সুবীর বাবু সারা বছর মানুষের জন্য কাজ করে চলেন।আর এই স্কুলেও উনি আগেও বিভিন্নভাবে এসেছেন আর আজ একদম সান্তারূপে এসেছেন বড়দিন নতুন বছরের আগে এই বাচ্ছাদের মুখে হাসি ফোটাতে এটা সত্যি প্রশংসনীয়।



