৬ বছরের বোনকে খুন করে পুকুরে পুঁতে দিল সম্পর্কে দাদা! তদন্তে পুলিশ
Police investigating grandfather's murder of 6-year-old sister, burying her in pond
Truth Of Bengal: মন্টু সাহাজী,বসিরহাট: গত শনিবার পিসি বাড়ি নিয়ে যাওয়ার নাম করে বছর ছয়ের শিশুটিকে বাড়ি থেকে নিয়ে যায় নাবালক দাদা। তারপর বহুক্ষণ শিশুটির খোঁজ না পাওয়া গেলে পরিবারের সন্দেহ হয়। এরপর সেই নাবালক দাদার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে শিশুটির পরিবার। এরপর পুলিশ নাবালককে আটক করে। পুলিশের জেলায় উঠে আসে যে, ওই নাবালক তার বোনকে শ্বাসরোধ করে খুন করেছে। বর্তমানে খুনের কারণ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
বসিরহাট মহকুমার হাসনাবাদ থানার হাসনাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের রামেশ্বরপুর মনোহরপুর গ্রামের ঘটনা। বছর ছয়ের সায়মা খাতুন প্রথম শ্রেণীর ছাত্রী। গতকাল শনিবার পিসির বাড়ি যাওয়ার নাম করে ডেকে নিয়ে যায় পিসির ছেলে। অষ্টম শ্রেণীর ছাত্র আরিফ গাজী বয়স ১৪। তারপর থেকে আর শিশুটির খোঁজ পাওয়া যায় না। তার বাবা-মা সহ পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি করলে সন্ধ্যা হয়ে গেলেও পাওয়া যায় না তাকে।
তখন সন্দেহ হয় সম্পর্কে দাদা আরিফের উপর। হাসনাবাদ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয় আরিফের বিরুদ্ধে। তাকে আটক করে জিজ্ঞাসা বাদ করলে পুলিশের জেরায় সে স্বীকার করে যখন বাড়িতে কেউ ছিল না সেই সুযোগে ওই ছাত্রীকে শ্বাসরোধ করে খুন করে বাড়ির পিছনে পুকুরে পুঁতে দেয়।
হাসনাবাদ থানার পুলিশ গিয়ে পুকুর থেকে ছাত্রীর মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য প্রথমে টাকি গ্রামীন হাসপাতাল তারপর বসিরহাট স্বাস্থ্য জেলার পুলিশ মর্গে পাঠিয়েছে। ইতিমধ্যে আরিফকে সঙ্গে নিয়ে ওই এলাকায় কীভাবে খুন করেছে আরিফ তার একটা পুনরনির্মাণ করেন হাসনাবাদ থানা পুলিশ। এর পিছনে কী কারণ আছে তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আত্মীয়ের দুই পরিবারের মধ্যে দীর্ঘদিন ঝামেলা-গন্ডগোল, জমি নিয়ে বিবাদ না অন্য কিছু ঘটনা লুকিয়ে রয়েছে এই খুনের পিছনে তা খোঁজার চেষ্টা করছে পুলিশ। ইতিমধ্যে আরিফ গাজিকে গ্রেফতার করেছে হাসনাবাদ থানার পুলিশ।






