চোখের জলে মাকে বিদায়, ঘোষাল বাড়িতে বিষাদের সুর
বাড়ির মহিলারা লাল পাড় সাদা শাড়ি পরে মাথায় ঘোমটা দিয়ে ঠাকুর বরণ করলেন, সবাই মিলে একসঙ্গে মেতে উঠলেন সিঁদুর খেলায়।
রাকেশ চক্রবর্তী, হুগলি: পুজোর চার দিনের আনন্দ শেষ। এখন মানুষের মনে বিষাদের সুর। কারণ উমা পাড়ি দেবেন আবারও কৈলাসে। বৃহস্পতিবার দশমীর সকাল থেকে হুগলির কোন্নগরে ঘোষাল বাড়িতে শুরু হয় দেবীকে বরণ করার পালা। বাড়ির মহিলারা লাল পাড় সাদা শাড়ি পরে মাথায় ঘোমটা দিয়ে ঠাকুর বরণ করলেন, সবাই মিলে একসঙ্গে মেতে উঠলেন সিঁদুর খেলায় (Ghoshal Bari)।
৫৭১ বছরের ঘোষালবাড়ির দুর্গাপুজো জেলার অন্যতম প্রাচীন পুজোগুলির মধ্যে একটি। দশমীতে বাড়ির মহিলারা ইলিশ মাছ ও পান্তা ভাত খেয়ে আসেন ঠাকুরকে বরণ করতে। তার পর নির্ধারিত সময় মাকে নিয়ে যাওয়া হয় গঙ্গাবক্ষে নিরঞ্জনের জন্য।
দশমীর সকাল থেকেই পরিবারের সবার মন ভারাক্রান্ত। একটা বছরের যে অপেক্ষা, তার আবারও দিন গোনা শুরু হবে। পুজোর দিনগুলো একসঙ্গে সবাই মিলে হই-হুল্লোড় করে আনন্দ করে কাটিয়েছেন সেগুলিকে মনে পড়বে এখন বেশ কিছুদিন, বলছেন পরিবারের লোকেরা। একসঙ্গে মহিলারা নাড়ু বানানো থেকে শুরু করে পুজোর সব কাজই করেন। পুজো উপলক্ষে দূর-দূরান্তে থাকা পরিবারের বিভিন্ন সদস্যরা সকলেই বাড়ি ফিরে আসেন। এবার সবাই আবার ফিরে যাবেন নিজেদের কাজে। আবার একটা বছরের অপেক্ষা। মায়ের ভাসানের পর থেকেই সকলে আবার দিন গোনা শুরু করবেন আগামী বছরের জন্য (Ghoshal Bari)।






