রাজ্যের খবর

Fake Voter Row: জলপাইগুড়িতে ভোটার তালিকায় ‘বাংলাদেশের’ নাগরিক!

গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য শ্যামল চন্দ্র রায়ও স্বীকার করেন, চন্দন দাসের নাম কাটার জন্য আগেও একাধিকবার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, “এই ব্যক্তিকে নিয়ে অভিযোগ বহুদিনের। শুনেছি উনি বাংলাদেশের নাগরিক।

Truth of Bengal: জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি ব্লকের সাঁকোয়াঝোড়া ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৫/২১৫ নম্বর বুথ ঘিরে তীব্র চাঞ্চল্য। ভোটার তালিকায় থাকা এক নাম ঘিরে প্রশ্ন উঠেছে—যিনি নাকি এই অঞ্চলের বাসিন্দা নন, এমনকি ‘বাংলাদেশের নাগরিক’ বলেও দাবি তুলছেন স্থানীয়রা!ভোটার তালিকায় ৮০৯ নম্বরে নাম রয়েছে চন্দন দাস নামে এক ব্যক্তির। তাঁর পিতার নামের স্থানে লেখা রয়েছে ‘অন্যান্য গোবিন্দ দাস’। জানা যাচ্ছে, গোবিন্দ দাস হলেন চন্দনের দাদা। এলাকাবাসীর দাবি, দীর্ঘদিন ধরে তালিকায় নাম থাকলেও চন্দন দাসকে এলাকায় কখনও দেখা যায়নি, এমনকি ভোট দিতে আসেন বলেও কেউ দেখেনি (Fake Voter Row)।

আরও পড়ুন: Glass: প্লাস্টিকের তুলনায় কাঁচের বোতলে মাইক্রোপ্লাস্টিকের মাত্রা অনেক বেশি! গবেষণায় চাঞ্চল্যকর দাবি

স্থানীয় বাসিন্দা সুভাষ রায় বলেন, “গোবিন্দ দাস আমার পাশের বাড়ির লোক। কিন্তু চন্দন দাস এখানে থাকেন না। শুনেছি উনি বাংলাদেশের নাগরিক। অথবা আসামে থাকেন। তিনি কোনওদিন এই এলাকায় ভোট দেননি। নাম কেটে দেওয়া উচিত।” এই প্রসঙ্গে স্থানীয় বুথ লেভেল অফিসার (BLO) হায়দার আলি জানান, “গোবিন্দ দাসকে আমি চিনি। কিন্তু চন্দন দাসকে কোনওদিন দেখিনি। উনি কিভাবে ভোটার তালিকায় এলেন, তাও জানি না। এটা স্পষ্ট জালিয়াতি। এমন নাম থাকা অনুচিত (Fake Voter Row)।”

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1DpmwTbAnA/

গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য শ্যামল চন্দ্র রায়ও স্বীকার করেন, চন্দন দাসের নাম কাটার জন্য আগেও একাধিকবার পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, “এই ব্যক্তিকে নিয়ে অভিযোগ বহুদিনের। শুনেছি উনি বাংলাদেশের নাগরিক। একসঙ্গে দুই দেশের ভোটার তালিকায় নাম থাকা তো সম্ভব নয়।” বিষয়টি নিয়ে আবারও প্রশাসনিক স্তরে নড়েচড়ে বসেছে সংশ্লিষ্ট মহল। সূত্র মারফত জানা গেছে, ইতিমধ্যেই ফর্ম ৭ পূরণ করে চন্দন দাসের নাম বাদ দেওয়ার জন্য নতুন করে আবেদন করা হয়েছে। তবে এবার তার নাম সত্যিই তালিকা থেকে বাদ পড়বে, নাকি উল্টে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে কিছু নথিপত্র জমা দিয়ে থেকে যাবেন ভোটার তালিকায়—তা সময়ই বলবে (Fake Voter Row)।

Related Articles