Pakbirra Temple: আধুনিকতা ও পুরাণের মিলনসেতু পাকবিড়রার প্রাচীন মন্দির
পুরুলিয়া টাউন থেকে ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে পুঞ্চা থানা এলাকার বুদ্ধপুরে বৌদ্ধ ও জৈন পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন ও প্রাচীন মন্দির রয়েছে।
Truth of Bengal: বাংলার এক সুপ্রাচীন মন্দির হল পুরুলিয়ার পাকবিড়রার মন্দির। পুরুলিয়ার মানবাজার মহকুমার পুঞ্চায় রয়েছে অসাধারণ স্থাপত্যশৈলীর পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন পাকবিড়রার প্রাচীন মন্দির। পুরুলিয়া টাউন থেকে ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে পুঞ্চা থানা এলাকার বুদ্ধপুরে বৌদ্ধ ও জৈন পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন ও প্রাচীন মন্দির রয়েছে। এরই নাম পাকবিড়রার মন্দির (Pakbirra Temple)।
আরও পড়ুনঃ Mohammed Siraj: ইংল্যান্ড সিরিজে সিরাজের দুরন্ত পারফরম্যান্সের কারণ ফাঁস করলেন ভাই ইসমাইল
প্রকৃতপক্ষে পাকবিড়রার প্রাচীন জৈন মন্দির ৩টি আলাদা আলাদা মন্দির নিয়ে গড়া। দ্বাদশ ও ত্রয়োদশ শতকে নির্মিত জৈন মন্দির ও বৌদ্ধ পুরাতাত্ত্বিক নিদর্শন সম্পর্কে জানা যায়। এখানকার অধিকাংশ ভাস্কর্য বেশ উঁচু। শীতলনাথের মূর্তি প্রায় সাড়ে ৭ ফিট উঁচু আর পদ্মপ্রভার মূর্তি প্রায় ৮ ফুট উঁচু। কালো পাথুরে তৈরি জৈন তীর্থঙ্করের মূর্তি রয়েছে। এখানে রয়েছে জৈন তীর্থঙ্কর ধর্মাচরণ, মহাবীর, ঋষভনাথ, সম্ভবনাথ, চন্দ্রপ্রভা প্রমুখের ভাস্কর্য। পাকবিড়রার প্রাচীন মন্দির জৈন মন্দির হলেও স্থানীয় বাসিন্দারা পদ্মপ্রভা মন্দিরকে ভৈরবনাথ হিসাবে পুজো করেন (Pakbirra Temple)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1ADtx3ZZeU/
এছাড়াও এই প্রাচীন মন্দিরে রয়েছে দেবী অম্বিকা, পদ্মাবতীর ভাস্কর্য। প্রধান মন্দিরে রয়েছে প্রাথমিক কক্ষ, পবিত্র জায়গা, কঞ্চি মন্দির, ৮ তীর্থঙ্করের ভাস্কর্য। ২টি মন্দির উত্তরমুখী, একটি মন্দির পূর্বমুখী। স্থানীয় ঐতিহাসিকদের মতে ২৪ জৈন তীর্থঙ্করের জন্য ২৪টি আলাদা আলাদা মন্দির ছিল। তবে এখন আর অতগুলো মন্দির দেখা যায় না। মন্দিরের মোল্ডিং, প্রাচীন কুলুন্দী, ৫টি বৌদ্ধ নিদর্শনও সমান ভাবে আকর্ষণীয় (Pakbirra Temple)।






