খেলা
Trending

ফ্রান্সকে ধরাশায়ী করে ইউরোর ফাইনালে স্পেন, নেপথ্যে তরুণ তুর্কি ইয়ামালের গোল

Spain beat France in the final of the Euro, behind the goal of the young Yamal

The Truth Of Bengal: টানটান উত্তেজনা ভরপুর ম্যাচে জয় কার হবে, বলা প্রথমেই খুব চাপের ছিল ফুটবলপ্রেমীদের কাছে। কারণ, একদিকে অপ্রতিরোধ্য ফ্রান্স, অপরদিকে স্পেনের মতোন হেভিওয়েট টিম। তবে, শেষ হাসি হাসল স্পেনই, নেপথ্য তরুণ তুর্কি লেমিন ইয়ামাল। বয়স ১৬ হলেও, তা যেন বুঝতেই পারলেন না স্টেডিয়ামে থাকা দর্শকরা। খেলার প্রথম থেকেই যেভাবে অ্যটেকিং ওয়েতে খেলে গেলেন, একের পর এক শট করে গেলেন, তাতে কার্যত ধরাশায়ী করে দিলেন এমবাপের শিবিরকে। পাশাপাশি, ইউরোর ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠ গোলদাতা হিসেবেও নিজের নাম নথিভুক্ত করলেন তিনি।

এদিন ম্যাচের শুরুতেই দেখা যায়, ইয়ামালকে গোলের সুযোগ পেতে। হেড দিয়ে গোল করার চেষ্টা করলেও পারেননি তিনি। আর স্পেনের এই ব্যর্থতার ফায়দাই তোলে ফ্রান্স। বাঁ প্রান্তে বল ধরে বক্সে ঢোকেন এমবাপে। ডিফেন্সের জঙ্গলের মাঝে বল বাড়ান রান্ডাল কোলো মুয়ানির দিকে। ঠান্ডা মাথায় হেড করে বল জালে জড়িয়ে দেন কোলো মুয়ানি। ফলত, প্রথমার্ধেই স্পেনের উপর চাপ তৈরি করে দেয় ফ্রান্স। কিন্তু, ফ্রান্সের সেই চাপ বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি। ২১ মিনিটে জাদু দেখালেন ইয়ামাল। বক্সের বাইরে বল পেয়ে দুই ডিফেন্ডারকে নাচিয়ে ছাড়েন তিনি। প্রথমে ডান দিকে ঘুরে চকিতে বাঁ দিকে ঘোরেন। ফলে দুই ডিফেন্ডার কেটে যায়। ইয়ামাল স্পষ্ট বুঝতে পারেন, এই সুযোগ হাতছাড়া করা যাবেনা। আর নিমেষের মধ্যেই গোল করে দেন তিনি। আর এর কিছুক্ষণের মধ্যেই আরও একটা গোল নিজেদের নামে করে নেয় স্পেন। বল ফ্রান্সের গোলপোস্টের কাছে পৌঁছতেই ডিফেন্ড করার চেষ্টা করেন জুলুস কুন্ডে। কিন্তু, তার পায়ে বল লেগে তা গোলে ঢুকে যায়। ফলে, প্রথমে আত্মঘাতী গোল হিসেবে সেটিকে চিহ্নিত করা হলেও, পরে ড্যানি অলমোর নামেই সেই গোল দেওয়া হয়।

অপরদিকে, দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকেই আশার আলো দেখেছিলেন ফ্রান্সের প্লেয়াররা। একাধিকবার কর্নার থেকে শুরু করে ফ্রি-কিকের সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারেনি তারা। যদিও, ৯০ মিনিট শেষে খেলা এগোয় আরও পাঁচ মিনিট। এক্সট্রা টাইমেও গোল করার একের পর এক সুযোগ হাতছাড়া করে এমবাপের দল। ফলে, শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সকে ধরাশায়ী করে ফাইনালে নিজেদের জায়গা সুনিশ্চিত করে স্পেন।

Related Articles