শাকিরার রেকর্ড গুঁড়িয়ে দিলেন নোরা! বিশ্বকাপের মঞ্চে বাংলাদেশি ডিজে সঞ্জয়ের সঙ্গে ‘সির সির’ গানে কাঁপল কানাডা
বিশ্বকাপের মঞ্চে আগুন ঝরালেন নোরা ফতেহি! ২৪ ঘণ্টায় শাকিরার মেগা রেকর্ড ভেঙে চুরমার
Truth of Bengal: দিনটা কানাডার ফুটবল ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে রইল। এই প্রথমবার নিজেদের দেশে ফিফা বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) আয়োজন করছে তারা। বসনিয়া ও হার্জেগোভিনার বিরুদ্ধে কানাডার এই ঐতিহাসিক ম্যাচের ঠিক আগেই টরন্টোয় দেখা গেল এক অভূতপূর্ব ফুটবল উন্মাদনা। বিশ্ববিখ্যাত নেথান ফিলিপস স্কোয়ার থেকে শুরু করে স্টেডিয়ামের ভেতর, সর্বত্রই এখন শুধুই ফুটবলের রং। মেক্সিকোতে বিশ্বকাপের বোধন আগেই হয়ে গিয়েছিল, আর এদিন কানাডার মাটিতে বাজল বিশ্বকাপের ‘সাইরেন সং’। আর সেই মেগা উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে গ্ল্যামারের আলোয় ভরিয়ে দিলেন বলিউডের ‘ডিলবর গার্ল’ নোরা ফতেহি (Nora Fatehi) এবং ক্যালিফোর্নিয়াপ্রবাসী বাংলাদেশি-আমেরিকান জনপ্রিয় মিউজিক প্রডিউসার ও ডিজে সঞ্জয় (DJ Sanjay)।
শাকিরার রেকর্ড ভাঙলেন নোরা, নেপথ্যে বাংলাদেশি যোগ!
কানাডার আদিবাসী জনগোষ্ঠীর সংস্কৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই ফুটবল-যজ্ঞের সূত্রপাত করেন কানাডিয়ান গায়ক উইলিয়াম প্রিন্স ও পপ তারকা আলেসিয়া কারা। কিন্তু আসল ধামাকাটা অপেক্ষা করছিল এর পরেই। স্টেডিয়ামের গ্যালারিকে কার্যত স্তব্ধ করে দিয়ে মঞ্চে প্রবেশ করেন নোরা ফতেহি, ফরাসি গায়ক ভেজেড্রিম এবং বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ডিজে সঞ্জয়।
Nora Fatehi performed before the Canada game in FIFA World Cup 🎉 pic.twitter.com/YeM0ms7LoV
— Om Pandey_45👑 (@iamompandey) June 12, 2026
উদ্বোধনী মঞ্চে ওঠার আগেই নোরার নতুন গান ‘সির সির’ (Sir Sir) নিয়ে তোলপাড় চলছিল সোশাল মিডিয়ায়। মুক্তির মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ইউটিউবে ২ কোটির বেশি ভিউ পেয়ে শাকিরার পুরোনো সমস্ত রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দেয় এই গান। বিশ্বকাপের আরেক অফিসিয়াল ট্র্যাক ‘ডাই ডাই’ যেখানে প্রথম দিনে মাত্র ৮২ লাখ ভিউ পেয়েছিল, সেখানে তাকে দ্বিগুণেরও বেশি ব্যবধানে পিছনে ফেলে ইতিহাস গড়েছে ‘সির সির’। আর এই সাফল্যের নেপথ্যে রয়েছে এক বিশেষ দক্ষিণ এশীয় সংযোগ। বাংলাদেশি-আমেরিকান ডিজে সঞ্জয়ের বিট আর নোরার চেনা ল্যাটিনো-বলিউড নাচের যুগলবন্দি এদিন টরন্টোর কনকনে ঠান্ডাতেও উষ্ণতার পারদ চড়িয়ে দেয়।

গ্ল্যামার আর ফুটবলের মেলবন্ধনে মাতল বিশ্ব
নোরার কোমরের ঝটকায় যখন গোটা স্টেডিয়াম ‘সির সির’ গানে মুখরিত, তখন গ্যালারিতে কানাডার লাল জার্সির পাশাপাশি বসনিয়ার সমর্থকেরাও মেতে ওঠেন উৎসবে। নোরার এই মেগা পারফরম্যান্সের পর মঞ্চে আসেন জেসি রেয়েজ ও এলিয়ান্না। তাঁদের গাওয়া ‘ইলুমিনেট’ গানটি ২০২৬ বিশ্বকাপের অফিসিয়াল অ্যালবামের অন্যতম বড় আকর্ষণ।

নানা দেশের সংস্কৃতির এই মেলবন্ধনের মাধ্যমেই শেষ হয় বিশ্বকাপের দ্বিতীয় দিনের জমকালো উদ্বোধন পর্ব। তবে সব কিছুকে ছাপিয়ে ছাব্বিশের ফুটবল বিশ্বকাপের মঞ্চে একজন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত মিউজিক প্রডিউসারের এই বিশ্বজয় এবং নোরা ফতেহির রেকর্ড ভাঙা সাফল্য বিশ্বমঞ্চে দক্ষিণ এশিয়ার নাম উজ্জ্বল করল, তা বলাই বাহুল্য।





