
The Truth of Bengal: চব্বিশে বদলের সুর বেঁধে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।একুশের আবেগকে সঙ্গী করে এগারোয় বাম সরকারকে পরিবর্তনের মতোই চব্বিশে দি্ল্লিতে সরকার পরিবর্তনের ডাক জোরদার করলেন তিনি।ইতিহাস বলছে,১৯৯৩এ বাম সরকারের আমলে তত্কালীন সরকারের পুলিশের গুলিতে ১৩জন আন্দোলনকারী প্রাণ হারান।যুব কংগ্রেসের সেইসব শহিদদের প্রতিবছরই শ্রদ্ধাজ্ঞলি নিবেদন করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।পাশাপাশি সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম-ভাঙড়ের জমি আন্দোলনকারী থেকে গণতান্ত্রিক আন্দোলন করতে গিয়ে মারা যাওয়া কর্মীদের স্মরণ করে শহিদ তর্পণ করে তৃণমূল কংগ্রেস।এবার সেই আবেগভররা অনুষ্ঠানের নাম দেওয়া হয় শ্রদ্ধাদিবস।
শহিদদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন ও শহিদ পরিবারের সদস্যদের পাশে থাকার বার্তা দিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়,একুশে জুলাইয়ের তাত্পর্য ব্যাখা করেন।জাতীয় রাজনীতির পটপরিবর্তনের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে স্পষ্ট করেন,কেন দিল্লিতে বদল দরকার। বার্তা দেন, প্রধানমন্ত্রিত্বের মোহ তাঁর নেই, উদ্দেশ্য একটাই, বিজেপি হারুক, ইন্ডিয়া জিতুক। একুশের মঞ্চ থেকে জোটসঙ্গীদের বুঝিয়ে দেন, ইন্ডিয়ার পাশে থেকে লড়াই করবে তৃণমূল কংগ্রেস। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে বিজেপিকে কাজে লাগিয়েও তৃণমূলকে শেষ করা যাবে না।ইডি-সিবিআইকে ব্যবহার করেও বিজেপির অভিসন্ধি পূরণ হবে না।আরও দৃঢ়কন্ঠে দেশে গণতন্ত্রও সংহতি রক্ষার ডাক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গলায়। মণিপুর দুমাসের বেশি জ্বলছে।জাতিহিংসা নিয়ে কেন প্রধানমন্ত্রী নীরব সেই প্রশ্ন তোলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন,মণিপুরের অমানবিক অত্যাচার আর নারীনিপীড়নের সঙ্গে বাংলার কথা জুড়ে দিচ্ছেন।
মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করছে বিজেপি। ত্রিপুরায় রথযাত্রায় ২৬ জন মারা গেলেন। ট্রেন দুর্ঘটনায় কত মানুষ মারা গেলেন। নমামি গঙ্গে প্রকল্পকেন্দ্রে কত জন দুর্ঘটনায় মারা গেলেন। তৃণমূল কিন্তু কিছু বলিনি, মৃত্যু নিয়ে রাজনীতি করে না। কিন্তু বাংলাতে কেউ মারা গেলেই রাজনীতি শুরু করছে বিজেপি।পঞ্চায়েত ভোটে ৭১হাজার বুথের মধ্যে ২-৩টে বুথে গন্ডগোল হয়।সেই গণ্ডগোলকে বড় করে দেখাচ্ছে বিজেপি।তাই বাংলা বিরোধী দেশবিরোধী শক্তি হিসেবে বিজেপি সরকারের পতন না হলে দেশ বাঁচবে না বলেও স্পষ্ট করেন বিজেপি বিরোধী শিবিরের নেত্রী। একের বিরুদ্ধে এক ফর্মূলা কার্যকর করেই যে নব ভারতের জন্ম হবে সেকথাও বদলের কাণ্ডারী সভামঞ্চ থেকে জোটের সদস্যদের বুঝিয়ে দেন।






