যাদবপুরে ১০ হাজার কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত ‘বন্দে মাতরম’, রাজপথে তেরঙ্গার সমুদ্র
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে জাতীয় স্তোত্রের ছ’টি স্তবক গেয়ে ভারতমাতার বন্দনায় শামিল হন তাঁরা
Truth of Bengal: যাদবপুরে একসঙ্গে ১০ হাজার কণ্ঠে ধ্বনিত হল ‘বন্দে মাতরম’। জাতীয় পতাকা হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে থেকে যাদবপুর থানা পর্যন্ত রাস্তার দু’ধারে ভিড় জমালেন শয়ে শয়ে মানুষ। বিজেপি ও এবিভিপি কর্মী-সমর্থকদের পাশাপাশি অনুষ্ঠানে যোগ দেন সাধারণ মানুষও। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতিতে জাতীয় স্তোত্রের ছ’টি স্তবক গেয়ে ভারতমাতার বন্দনায় শামিল হন তাঁরা।
সম্প্রতি যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়েছিল পরিস্থিতি। গত ১৯ এবং ২০ আগস্ট ক্যাম্পাসে অশান্তির পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জাতীয়তাবাদ ও দেশপ্রেমের প্রশ্নে কড়া বার্তা দিয়েছিলেন। তাঁর দাবি ছিল, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিতরে ও বাইরে জাতীয়তাবাদের পরিবেশ আরও শক্তিশালী করা হবে। সেই সময়ই তিনি রাখিবন্ধনের দিন যাদবপুরে ১০ হাজার কণ্ঠে ‘বন্দে মাতরম’ গাওয়ার কর্মসূচির কথা ঘোষণা করেন। সেই ঘোষণা অনুযায়ী শুক্রবার যাদবপুর সাংগঠনিক জেলা বিজেপির উদ্যোগে এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বিকেল থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকায় জমায়েত শুরু হয়। জাতীয় পতাকা হাতে বহু মানুষ রাস্তার দু’ধারে দাঁড়িয়ে ‘বন্দে মাতরম’-এ গলা মেলান। মুখ্যমন্ত্রীও অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে জাতীয় স্তোত্র গেয়ে ওঠেন।
অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গোটা যাদবপুর চত্বরে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা হয়। বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন ছিল বিশ্ববিদ্যালয় এবং আশপাশের এলাকায়। নিরাপত্তার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিনটি প্রবেশপথ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়। যাতায়াতের জন্য শুধুমাত্র ১ নম্বর গেট খোলা রাখা হয়েছিল। বিজেপির দাবি, এই কর্মসূচির মূল উদ্দেশ্য ছিল দেশপ্রেম, জাতীয় ঐক্য এবং জাতীয়তাবাদের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া। সাম্প্রতিক ছাত্র সংঘর্ষের আবহে যাদবপুরকে কেন্দ্র করে যে রাজনৈতিক উত্তাপ তৈরি হয়েছিল, তার মধ্যেই ‘১০ হাজার কণ্ঠে বন্দে মাতরম’ কর্মসূচি নতুন করে রাজনৈতিক ও সামাজিক চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এল।






