মহালয়ার সন্ধ্যায় ৩০০০ ড্রোনে আলোর জাদু ইডেনে, গঙ্গার ঘাটে চণ্ডীপাঠ ও অভিনব বিজয়া সম্মিলনী
পুজোর শুরুতেই ঝলসে উঠবে কলকাতার আকাশ! প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী না থাকলেও মোক্ষম চমক নবান্নের
Truth of Bengal: নতুন সরকারের আমলে ২০২৬ সালের দুর্গোৎসবে বঙ্গবাসীকে উপহার দিতে চলেছে এক অভূতপূর্ব ও চোখধাঁধানো সারপ্রাইজ। মহালয়ার আলোকোজ্জ্বল সন্ধ্যায় কলকাতার ঐতিহ্যবাহী ইডেন গার্ডেন্সে (Eden Gardens) আয়োজিত হতে চলেছে এক নজিরবিহীন শো, যেখানে এক সঙ্গে আকাশজুড়ে উড়বে প্রায় ৩,০০০টি আধুনিক ড্রোন। আকাশে ড্রোনের মায়াবী আলোয় ফুটে উঠবে দুর্গাপুজো ও চণ্ডীপাঠের নানান পৌরাণিক ও ঐতিহাসিক অনুষঙ্গ। সেই সঙ্গে থাকবে জাঁকজমকপূর্ণ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও।
নবান্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, বিশেষ কিছু জরুরি কাজের কারণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এদিনের এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত থাকতে পারছেন না। তবে রাজ্যের সাধারণ মানুষকে সম্পূর্ণ এক নতুন অভিজ্ঞতা উপহার দিতে প্রশাসনিক স্তরে কোনও ত্রুটি রাখা হচ্ছে না।
এ বছর রেড রোডে গতানুগতিক পুজো কার্নিভালের পরিবর্তে আয়োজন করা হচ্ছে সম্পূর্ণ নতুন আঙ্গিকের এক মেগা বিজয়া সম্মিলনী। গোটা পরিকল্পনা প্রকাশ করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, “আগামী ২৬ তারিখে আমাদের সমস্ত পুজো কমিটিকে সঙ্গে নিয়ে একটি বিশাল মিলন মেলার আয়োজন করা হচ্ছে। গতানুগতিক ক্যাটারারের খাবারের পরিবর্তে এতে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলার বিখ্যাত সব ঐতিহ্যবাহী খাবারের স্টল থাকবে। রাজ্যের প্রতিটি কোণ থেকে বিশেষ স্পেশাল আইটেম সাধারণ মানুষের জন্য পরিবেশন করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।”
অন্যদিকে, মহালয়ার ভোরে পিতৃপুরুষের উদ্দেশ্যে তর্পণ করতে গঙ্গার ঘাটে সমবেত হওয়া লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থীদের জন্যও নেওয়া হয়েছে বিশেষ উদ্যোগ। ভোরের আলো ফোটার সময় থেকেই কলকাতার বড় বড় ঐতিহ্যবাহী গঙ্গার ঘাটগুলিতে মাইকে গুঞ্জরিত হবে বীরেন্দ্রকৃষ্ণ ভদ্রের জাদুকরী কণ্ঠের চণ্ডীপাঠ।
প্রাথমিকভাবে নবান্ন থেকে কলকাতার বাবুঘাট, আহিরীটোলা ঘাট, জাজেস ঘাট, নিমতলা ঘাট এবং বাজা কদমতলা ঘাটকে এই বিশেষ উদ্যোগের জন্য নির্বাচন করা হয়েছে। ঘাটগুলির পাশে তৈরি করা হবে রেট্রো লুকের বিশালাকার রেডিওর প্রতিকৃতি, যা তর্পণ দেখতে আসা মানুষকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে অতীতের এক অকৃত্রিম ও নস্টালজিক আবহে।






