মহালয়াতেই ইডেন গার্ডেন্সে ধামাকা! শুভেন্দু সরকারের মেগা প্ল্যানে উমা আবাহন, উপস্থিত থাকতে পারেন মোদি!
পরিবর্তনের পর প্রথম দুর্গাপুজো! ইডেনে ছৌ নাচ ও ধুনুচি নৃত্যে চমক দিতে প্রস্তুত শুভেন্দু সরকার!
Truth of Bengal: রাজনৈতিক পালাবদলের পর পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার ঐতিহাসিক দুর্গাপুজো। আর রাজ্যজুড়ে এই প্রথম উমা আগমনীর আনন্দকে এক অভূতপূর্ব মাত্রা দিতে মাস্টারস্ট্রোক দিতে চলেছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন নয়া সরকার। রাজ্য সরকারের বিশেষ উদ্যোগে আসন্ন মহালয়ায় কলকাতার প্রাণকেন্দ্র ইডেন গার্ডেন্সে একটি বিরাট মেগা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে। নবান্ন ও তথ্য-সংস্কৃতি দপ্তর সূত্রে ইঙ্গিত, ইডেনের এই মেগা মঞ্চে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও উপস্থিত থাকতে পারেন।
আগামী ১০ অক্টোবর শুভ মহালয়া। সময় হাতে রয়েছে মাত্র মাসখানেক। তবে ইতিমধ্যেই এই মেগা ইভেন্টের প্রস্তুতি পুরোদমে শুরু হয়ে গিয়েছে। তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের তরফে অনুষ্ঠান সংক্রান্ত নানা অবকাঠামোগত কাজের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র বা টেন্ডার ডাকার প্রক্রিয়াও শুরু হয়েছে বলে খবর। জানা গিয়েছে, ইডেন গার্ডেন্সের সবুজ গালিচায় বাংলার প্রাচীন দুর্গাপুজোর ইতিহাস, সুসংগঠিত লোকসংস্কৃতি, শিউলি ঝরা সুরের সঙ্গে ঐতিহ্যবাহী ধুনুচি নাচ, ছৌ নাচ ও হাজারো ঢাকির যুগলবন্দিতে এক নজিরবিহীন সাংস্কৃতিক প্রদর্শন উপস্থাপন করা হবে।
পূর্ববর্তী তৃণমূল জমানায় একাধিক বড় বড় দুর্গাপুজোর সঙ্গে তৎকালীন শাসকদলের নেতা-মন্ত্রীরা ওতপ্রোতভাবে যুক্ত ছিলেন। ফলে ক্ষমতার অলিন্দে পালাবদলের পর চলতি বছরের পুজো অনুদান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে পুজো উদ্যোক্তাদের মনে নানা সংশয় তৈরি হয়েছিল। তবে শুভেন্দু সরকারের স্পষ্ট আশ্বাস, বাংলায় দুর্গাপুজো তার নিজস্ব মহিমায় আরও জাকজমকপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হবে। কারণ দুর্গাপুজো শুধু আনন্দ-উৎসবের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর সঙ্গে কোটি কোটি টাকার অর্থনীতি এবং প্রতিমাশিল্পী, আলোকশিল্পী, মণ্ডপশিল্পী, ঢাকি, বস্ত্র ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে পর্যটন ও রেস্তরাঁ শিল্পের হাজার হাজার মানুষের রুজি-রুটি জড়িয়ে রয়েছে।
কারও জীবিকায় যাতে বিন্দুমাত্র ব্যাঘাত না ঘটে, সেদিকে বিশেষ নজর রেখেই রাজ্য সরকার নিজে উদ্যোগী হয়ে ইডেনে এই মেগা প্রদর্শনী সাজাচ্ছ। এর মাধ্যমে বাংলার দুর্গাপুজোকে আন্তর্জাতিক পর্যটন মানচিত্রে আরও উঁচুতে পৌঁছে দেওয়াই নয়া সরকারের মূল লক্ষ্য। তবে এত বড় ইভেন্টের ক্ষেত্রে নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও ইডেনের পরিকাঠামোগত সুরক্ষার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশাসনিক ও প্রযুক্তিগত সমস্ত সবুজ সংকেত মিললেই কলকাতার বুফে দেখা যাবে বাঙালির সর্বশ্রেষ্ঠ উৎসবের এই মেগা আবাহন।





