কলকাতা

মহালয়ায় ইডেনে নাও আসতে পারেন মোদি! তবে হাজির থাকছেন কে?

সূত্রের খবর, মোদির পরিবর্তে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উপস্থিত থাকতে পারেন ইডেনের অনুষ্ঠানে

Truth of Bengal: মহালয়ার দিন ইডেন গার্ডেন্সে রাজ্য সরকারের মেগা দুর্গাপুজো উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ঘিরে শেষ মুহূর্তে বড় বদলের সম্ভাবনা। প্রথমে পরিকল্পনা ছিল, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হাত ধরেই শুরু হবে এবারের দুর্গাপুজোর আনুষ্ঠানিক সূচনা। কিন্তু এখন তাঁর উপস্থিতি নিয়েই তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। সূত্রের খবর, মোদির পরিবর্তে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ উপস্থিত থাকতে পারেন ইডেনের অনুষ্ঠানে। আগামী ১০ অক্টোবর মহালয়া। সেই উপলক্ষে ইডেন গার্ডেন্সে বিশাল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা করেছে রাজ্য সরকার। আগে তৈরি হওয়া ব্লু-প্রিন্ট অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী দেবী দুর্গার প্রতিমায় ‘চক্ষুদান’-এর অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন এবং স্টেডিয়াম প্রদক্ষিণ করবেন—এমন পরিকল্পনাও ছিল। পাশাপাশি কলকাতার কয়েকটি বড় পুজোর ভার্চুয়াল উদ্বোধন করার কথাও ছিল তাঁর।

অনুষ্ঠান ঘিরে আয়োজনও কম নয়। রেড রোডে রাজ্যের ২৩ জেলার বিভিন্ন লোকনৃত্য ও সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরার পরিকল্পনা রয়েছে। ইডেনে হাজার হাজার ঢাকির উপস্থিতি, উলুধ্বনি, আলো ও শব্দের বিশেষ আয়োজন, ড্রোন শো এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রাখার পরিকল্পনা করা হয়েছে। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে জায়গা করে নেওয়ার লক্ষ্যও রয়েছে আয়োজকদের। কিন্তু বৃহস্পতিবার রাজ্য সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে সিএবি কর্তাদের বৈঠকের পর পরিস্থিতি বদলেছে বলে সূত্রের দাবি। সেখানেই নাকি জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর পূর্বনির্ধারিত সফর আর নাও হতে পারে। পরিবর্তে অমিত শাহকে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হিসেবে দেখা যেতে পারে। তবে প্রধানমন্ত্রীর দফতর বা কেন্দ্রের তরফে এই পরিবর্তন নিয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা সামনে আসেনি।

ইডেনকে ঘিরে নিরাপত্তা ও আয়োজনের প্রস্তুতি অবশ্য আগেই শুরু হয়েছে। ২৫ সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত স্টেডিয়াম রাজ্য সরকারের ব্যবহারের জন্য রাখা হয়েছে। মেগা অনুষ্ঠানের কারণে ১১ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া বাংলার রনজি ট্রফির প্রথম ম্যাচও ইডেন থেকে সরিয়ে কল্যাণীতে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। বাংলার প্রথম ম্যাচ দিল্লির বিরুদ্ধে।সিএবি সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছিলেন, দুর্গাপুজোর মতো বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবে প্রধানমন্ত্রী এলে তা গর্বের বিষয়। প্রয়োজনে রনজি ম্যাচ অন্য মাঠে আয়োজন করতেও আপত্তি নেই বলেছিলেন তিনি।

Related Articles