কলকাতা

কেষ্টপুর প্রফুল্ল কানন (পশ্চিম) অধিবাসীবৃন্দর পুজো: প্রকৃতি-মানুষের সম্পর্কের ‘বিন্যাসে’র গল্প

বাস্তবে কীভাবে প্রকৃতির অসীম শক্তি আর মানুষের প্রখর বুদ্ধি বিন্যস্ত হয়েছে তাই তুলে ধরা হবে পুজো মণ্ডপে।

Truth Of Bengal: পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ে গেছে, শুরু হয়ে গেছে দেবীপক্ষ। দুর্গাপুজোর মতো রাজসূয় যজ্ঞের আয়োজন করা মুখের কথা নয়। প্রতি বছরই ‘হটকে’ থিমে পুজো অনুরাগীদের চমকে দেয় কেষ্টপুর প্রফুল্ল কানন (পশ্চিম) অধিবাসীবৃন্দ। এ বছর অভিনব থিমের মাধ্যমে শিল্পী কৃশানু পালের ভাবনায় ফুটে উঠবে মানুষ ও প্রকৃতির পারস্পরিক সম্পর্কের বিন্যাস। বাস্তবে কীভাবে প্রকৃতির অসীম শক্তি আর মানুষের প্রখর বুদ্ধি বিন্যস্ত হয়েছে তাই তুলে ধরা হবে পুজো মণ্ডপে।

এবছর ২৩তম বছরে কেষ্টপুর প্রফুল্ল কানন (পশ্চিম) অধিবাসীবৃন্দর পুজোয় থিম হল ‘বিন্যাস’। সামগ্রিক পরিকল্পনা ও রূপায়ণের দায়িত্বে রয়েছেন শিল্পী কৃশানু পাল। আলোর দায়িত্বে রয়েছেন আশিস সাহা। আবহ সঙ্গীত করছেন আশু চক্রবর্তী।

পুজো কমিটির কর্তা কার্তিক রায়ের কথায়, ‘মানুষ ও প্রকৃতি একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। মানুষ প্রকৃতির তৈরি শ্রেষ্ঠ জীব। মানুষ বেঁচে থাকার রসদ পায় প্রকৃতি থেকেই। আবার মৃত্যুর পরে মানুষ পঞ্চভূতে বিলীন হয়ে প্রকৃতিতে মিশে যায়। মানুষ প্রকৃতিকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়েছে। সেই কোন আদিম যুগ থেকে মানুষ প্রকৃতির পুজো করে এসেছে। কিন্তু মাঝেমধ্যে প্রকৃতির অসীম শক্তি আর মানুষের প্রখর বুদ্ধির মধ্যে তীব্র লড়াই তৈরি হয়।

নগরায়ন ও শিল্পায়নের মাত্রাতিরিক্ত প্রভাবে প্রাকৃতিক দুর্যোগ সৃষ্টি হচ্ছে। বাস্তুতন্ত্রর ভারসাম্য নষ্ট করছে। প্রকৃতি ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার প্রভাব মানুষের ওপরও পড়ছে। প্রকৃতি আর মানুষের মধ্যে এই ভাঙাগড়ার সম্পর্ক চক্রাকারে আবর্তিত হচ্ছে যুগ যুগ ধরে। সংসারে প্রেম ও ঝগড়ার মতোই যা যুগ যুগ ধরে এগিয়ে চলেছে।’

Related Articles