Russia Tariff: রাশিয়া থেকে তেল কিনলে ৫০০% শুল্ক! ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিতে চরম উদ্বেগে দিল্লি
ইতিমধ্যেই দিল্লির উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক ধার্য করেছে ওয়াশিংটন, ফলে মোট শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে।
Truth of Bengal: ভারত-আমেরিকা বাণিজ্য চুক্তির মাঝেই ফের একবার বাড়তে চলেছে চাপ। মস্কোর সঙ্গে এখনও ব্যবসা করছে এমন দেশগুলির উপর ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত শুল্ক চাপানোর পক্ষে সওয়াল করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আর এই খবর সামনে আসার পরই চরম উদ্বেগে বিশ্ব।রাশিয়া থেকে তেল কেনা দেশগুলির তালিকায় ভারতের নাম সবার উপরে। ইতিমধ্যেই দিল্লির উপর ২৫ শতাংশ অতিরিক্ত শুল্ক ধার্য করেছে ওয়াশিংটন, ফলে মোট শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৫০ শতাংশে। এবার ৫০০ শতাংশ পর্যন্ত অতিরিক্ত শুল্ক আরোপের সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় ভারতের আশঙ্কা বেড়েছে বহুগুণ।
ট্রাম্প পরিষ্কারভাবে জানিয়েছেন চিন, ভারত ও ইরান এই অতিরিক্ত শুল্কের আওতায় পড়তে পারে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বক্তব্য, এই দেশগুলিই রাশিয়ার অর্থভাণ্ডার সচল রাখছে এবং সেখান থেকেই ইউক্রেনে হামলার সামর্থ্য পাচ্ছে মস্কো। তাই আরও বড় ধাক্কা দিয়ে রাশিয়ার আয়ের উৎস রুখতে চায় আমেরিকা।ফ্লোরিডাগামী বিমানে ওঠার আগে ট্রাম্প বলেন, রিপাবলিকানরা রাশিয়ার সঙ্গে ব্যবসা করা দেশগুলির বিরুদ্ধে কঠোর আইন আনতে চলেছে। সেনেট নেতা জন থুনে জানিয়েছেন, আগেই এই বিল পেশের চেষ্টা হয়েছিল, তবে ভোটাভুটির নির্দিষ্ট দিন এখনও ঠিক হয়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, যুদ্ধ পরিস্থিতিকে সামনে রেখে ট্রাম্পের এই শুল্কনীতি আসলে ব্যবসায়িক প্রভাব বৃদ্ধির কৌশলও হতে পারে। ভারত–মার্কিন বাণিজ্য আলোচনার মাঝেই নতুন করে শুল্ক চাপানোর সম্ভাবনা তাই কূটনৈতিক সম্পর্ককে আরও জটিল করতে পারে।সাম্প্রতিক সময়ে পূর্ব ইউক্রেনের পোকরোভস্ক দখলের চেষ্টা জোরদার করেছে রাশিয়া। দেশজুড়ে বাড়ছে বিমান হামলা। পাল্টা রাশিয়ার জ্বালানি পরিকাঠামোতে আঘাত শানাচ্ছে ইউক্রেন। এই সংঘাত থামছে না বলেই শুল্ককে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে ওয়াশিংটন এমনটাই মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা।গত বছর মার্কিন শুল্কের কড়াকড়ির পরেও ভারত–মার্কিন প্রতিরক্ষা সম্পর্ক এগিয়েছে, এবং বাণিজ্য আলোচনাও আবার শুরু হয়েছে। তবে নতুন শুল্ক চাপানো হলে সেই সম্পর্ক নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।





