ট্রাম্প-মামদানি বৈঠক শুক্রবার, ভোটের উত্তাপ শেষে ওভাল অফিসে মুখোমুখি
৪ নভেম্বরের নির্বাচনের আগেই মামদানি সম্পর্কে প্রকাশ্যে কড়া অবস্থান নেন ট্রাম্প।
Truth Of Bengal: মেয়র নির্বাচনের আগে পরস্পরকে আক্রমণ করেছেন বারবার। কখনও ‘উন্মাদ কমিউনিস্ট’, কখনও ‘নিউ ইয়র্কের সর্বনাশের নায়ক’— এমন কঠোর ভাষায় কটাক্ষ করতে একবারও পিছপা হননি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কিন্তু অবশেষে সেই জোহরান মামদানির সঙ্গেই মুখোমুখি বৈঠকে বসতে চলেছেন তিনি। শুক্রবার হোয়াইট হাউসের ওভাল অফিসেই হওয়ার কথা এই বহুচর্চিত সাক্ষাৎ। ট্রাম্প তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া ‘ট্রুথ সোশাল’-এ লিখেছেন, “নিউ ইয়র্ক সিটির কমিউনিস্ট মেয়র জোহরান মামদানি বৈঠকের অনুরোধ করেছেন। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, শুক্রবার ওভাল অফিসে এই বৈঠক হবে।”
৪ নভেম্বরের নির্বাচনের আগেই মামদানি সম্পর্কে প্রকাশ্যে কড়া অবস্থান নেন ট্রাম্প। সতর্ক করে বলেন, মামদানি জিতলে নিউ ইয়র্ক সিটি সম্পূর্ণ অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিপর্যয়-র মুখে পড়বে। এমনকি নিউ ইয়র্ক যদি ‘কমিউনিস্ট মেয়র’ বেছে নেয়, তবে কেন্দ্রীয় অনুদান বন্ধ করার হুঁশিয়ারিও দেন তিনি। কিন্তু সব বিরোধিতা উপেক্ষা করে বিপুল ভোটে জয়ী হন ডেমোক্র্যাট প্রার্থী জোহরান মামদানি। তিনি পেয়েছেন ৫০ শতাংশের বেশি ভোট, যেখানে রিপাবলিকান প্রার্থী কুর্টিস স্লিওয়া পেয়েছেন মাত্র ৭ শতাংশ।
নির্বাচনে বিপুল জয়ের পর ট্রাম্পকে সরাসরি খোঁচা দিয়ে মামদানি বলেন, ডোনাল্ড ট্রাম্প, আপনাকে আমি চারটি শব্দ বলতে চাই— আরও জোরে চিৎকার করুন। তিনি আরও মন্তব্য করেন, নিউ ইয়র্কেই জন্মেছেন ট্রাম্প, আর কীভাবে তাঁকে পরাজিত করতে হয় তা এই শহরই দেখাবে।নির্বাচনের পর ট্রাম্প খানিক নরম সুরে বলেন, মামদানির সঙ্গে যোগাযোগ করাই তাঁর জন্য ভালো হবে। তিনি ‘ক্ষুব্ধ’ হলেও নিউ ইয়র্ককে ভালবাসেন এবং নতুন মেয়রের ভাল কাজ দেখতে চান বলেও জানান।১ জানুয়ারি নিউ ইয়র্কের প্রথম মুসলিম এবং গত ১০০ বছরের ইতিহাসে সবচেয়ে কনিষ্ঠ মেয়র হিসেবে শপথ নেবেন ৩৪ বছর বয়সি মামদানি।






