“আমি শ্রী জোসেফ বিজয়…”, রাহুলকে পাশে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন ‘থালাপতি’
রুপোলি পর্দা থেকে মুখ্যমন্ত্রী! তামিল রাজনীতিতে নতুন যুগের সূচনা করলেন বিজয়
Truth of Bengal: বড় পর্দা থেকে এবার রাজনীতির ময়দানেও ‘ব্লকবাস্টার’ এন্ট্রি নিলেন থালাপতি বিজয়। শনিবার চেন্নাইয়ের উপচে পড়া স্টেডিয়ামে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন তিনি। গম্ভীর কণ্ঠে যখন তিনি উচ্চারণ করলেন, “আমি শ্রী জোসেফ বিজয়…”, তখন গোটা স্টেডিয়াম দর্শকদের করতালিতে ফেটে পড়ে। তবে শুধু বিজয়ের শপথ নয়, এদিনের অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল মঞ্চে বিজয়ের পাশেই বসা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীর উপস্থিতি। যা দক্ষিণের রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
বিজয়ের নতুন টিম: চমক মন্ত্রিসভায়
মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের শপথের পর একে একে তাঁর ক্যাবিনেট সদস্যরাও শপথ গ্রহণ করেন। মন্ত্রিসভায় বড় চমক দিয়েছেন বিজয়। শপথ নিলেন:
আধব অর্জুন: বিজয়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এই নেতা ক্যাবিনেটে বড় দায়িত্ব পেলেন।
সেঙ্গোত্তাইয়ান: টিভিকে-র মুখ্য সমন্বয়ক হিসেবে বিজয়ের দলের অন্যতম স্তম্ভ।
আনন্দ ও ভেঙ্কটরামনন: আনন্দ টিভিকে-র সাধারণ সম্পাদক হিসেবে শপথ নিলেন।
নির্মলকুমার: যিনি বিজেপি ছেড়ে বিজয়ের হাত ধরেছিলেন, তাঁকেও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
কনিষ্ঠতম মন্ত্রী ২৮-এর কীর্তনা
তবে সবথেকে বেশি নজর কেড়েছেন ২৮ বছর বয়সী কীর্তনা। বিজয়ের সরকারে তিনি হতে চলেছেন কনিষ্ঠতম মন্ত্রী। তরুণ প্রজন্মকে সামনে আনার যে প্রতিশ্রুতি বিজয় দিয়েছিলেন, কীর্তনার নিয়োগ তারই বড় প্রমাণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
জাতীয় সঙ্গীত ও বন্দে মাতরম
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান শেষ হয় বন্দে মাতরম ও জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মাধ্যমে। নয়জন বিধায়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীদের এই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের পর বিজয়ের দলের সমর্থকরা বিজয়োল্লাসে মাতেন। দীর্ঘকাল ধরে ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-র দ্বৈরথ দেখা তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে বিজয়ের এই উত্থান নিশ্চিতভাবেই এক ঐতিহাসিক পরিবর্তনের সঙ্কেত।
রাহুল গান্ধীর উপস্থিতিতে এই অনুষ্ঠান কেবল একটি শপথগ্রহণ রইল না, বরং সর্বভারতীয় স্তরে বিজেপির বিরুদ্ধে বিজয়ের দলকে এক শক্তিশালী পক্ষ হিসেবে তুলে ধরল।



