এপস্টিন ফাইলে উঠে এল বিল গেটসের ‘গোপন রোগ’-এর তথ্য!
নতুন প্রকাশিত ফাইলগুলির মধ্যে বেশ কিছু ইমেলও রয়েছে, যেগুলি এপস্টিন নিজেই নিজেকে পাঠিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে।
Truth Of Bengal: যৌন অপরাধী জেফ্রি এপস্টিন সংক্রান্ত আরও বিপুল পরিমাণ নথি প্রকাশ করেছে আমেরিকার বিচার বিভাগ। আগেও যে সব ফাইল প্রকাশ্যে এসেছিল, তার মতোই নতুন নথিগুলিতেও একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তির নাম উঠে এসেছে। এই তালিকায় রয়েছেন শিল্পপতি ইলন মাস্ক, মাইক্রোসফ্টের প্রতিষ্ঠাতা বিল গেটস এবং নিউ ইয়র্কের মেয়র জ়োহরান মামদানির মা, চলচ্চিত্র পরিচালক মীরা নায়ার।
নতুন প্রকাশিত ফাইলগুলির মধ্যে বেশ কিছু ইমেলও রয়েছে, যেগুলি এপস্টিন নিজেই নিজেকে পাঠিয়েছিলেন বলে দাবি করা হয়েছে। এমনই একটি ইমেলে এপস্টিন দাবি করেন, রুশ নারীদের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের পর যৌনরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন বিল গেটস। ওই ইমেলে আরও বলা হয়, এরপর গোপনে নিজের স্ত্রী মেলিন্ডা গেটসকে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানোর চেষ্টা করেছিলেন তিনি।
যদিও এই সমস্ত অভিযোগ সম্পূর্ণভাবে অস্বীকার করেছেন বিল গেটস। গেটসের এক মুখপাত্র বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন, এই দাবি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। মুখপাত্রের বক্তব্য, গেটসের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখতে না পারার হতাশা থেকেই এপস্টিন এই ধরনের অভিযোগ করেছিলেন।
নতুন নথিতে আরও দাবি করা হয়েছে, ২০০৯ সালে নিজের ছবি ‘আমেলিয়া’-র প্রচারের সময়ে আর এক যৌন অপরাধী ঘিসলাইন ম্যাক্সওয়েলের আয়োজিত একটি নৈশভোজে যোগ দিয়েছিলেন মীরা নায়ার।
শুক্রবার আমেরিকার বিচার দফতর এপস্টিন সংক্রান্ত প্রায় ৩০ লক্ষ পৃষ্ঠার নথি প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে প্রায় ২,০০০টি ভিডিয়ো এবং ১ লক্ষ ৮০ হাজার ছবি। এর আগে প্রকাশিত নথিগুলিতে এপস্টিনের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল প্রাক্তন ও বর্তমান একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বকে, যার মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিন্টন এবং বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
এপস্টিনের সঙ্গে বন্ধুত্বের কথা ট্রাম্প নিজেই স্বীকার করেছেন। দেশ-বিদেশে চাপের মুখে পড়ে গত বছরের নভেম্বর মাসে এপস্টিন সংক্রান্ত নথি প্রকাশের সিদ্ধান্ত নেয় মার্কিন প্রশাসন। উল্লেখ্য, ২০০৮ সালে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের অভিযোগে এপস্টিনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। পরে ২০১৯ সালের অগস্ট মাসে গ্রেফতারির এক মাসের মধ্যেই জেলে আত্মহত্যা করেন তিনি।





