“ইরানের ওপর আর কোনো আস্থা নেই”—তেহরানের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার পথে সৌদি আরব?
কাতার জানিয়েছে, তাদের রাস লাফান এলাকার প্রধান গ্যাস স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
Truth of Bengal: পশ্চিম এশিয়ায় ইরানকে কেন্দ্র করে যুদ্ধ পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল ও বিস্তৃত আকার নিচ্ছে। ইসরায়েলের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের গুরুত্বপূর্ণ সাউথ পার্স গ্যাসক্ষেত্র ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পর পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় উপসাগরীয় অঞ্চলে একাধিক জ্বালানি স্থাপনায় আঘাতের অভিযোগ উঠেছে। ফলে গোটা অঞ্চলে নিরাপত্তা ও জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। কাতার জানিয়েছে, তাদের রাস লাফান এলাকার প্রধান গ্যাস স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
এই ঘটনার পরই তারা ইরানের সামরিক ও নিরাপত্তা প্রতিনিধিদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। অন্যদিকে সৌদি আরবের কড়া প্রতিক্রিয়া—ইরানের প্রতি তাদের অবশিষ্ট আস্থাও নষ্ট হয়ে গেছে। এদিকে ইরানের পশ্চিমাঞ্চলে আবাসিক এলাকায় হামলায় বহু সাধারণ মানুষের মৃত্যুর খবর সামনে এসেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই হামলার পেছনে ইসরায়েল ও আমেরিকার ভূমিকা থাকতে পারে। এর জেরে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। ইরান আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল, তাদের উপর হামলার জবাব তারা কঠোরভাবে দেবে।
সেই প্রেক্ষিতে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা বেড়েছে। আমেরিকা ও তার মিত্র দেশগুলিও উচ্চ সতর্কতায় রয়েছে। বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এই সংঘাতের প্রভাব পড়ছে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও। বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহে অনিশ্চয়তা তৈরি হওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের দামের ওঠানামা দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে পরিস্থিতি অত্যন্ত সংবেদনশীল। কূটনৈতিক স্তরে শান্তির প্রচেষ্টা চললেও যুদ্ধ থামার কোনও স্পষ্ট ইঙ্গিত নেই, বরং উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কাই প্রবল।






