H-1B ভিসা নিয়ে ট্রাম্পের কঠোর অবস্থান! নীতি ঢেলে সাজানোর ইঙ্গিত মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটির
সংস্থাটি স্পষ্ট জানিয়েছে, পুরো H-1B ভিসা প্রোগ্রামটিকেই নতুন করে সাজানো হচ্ছে, যার খসড়া ইতিমধ্যে প্রস্তুত। এই নতুন নিয়ম চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই প্রকাশিত হতে পারে।
Truth of Bengal: H-1B ভিসা নিয়ে কঠোর অবস্থান থেকে এক ইঞ্চিও সরতে নারাজ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। এই ভিসার জন্য ইতিমধ্যেই এককালীন এক লক্ষ ডলার ফি চাপানোর ঘোষণার পর এবার ভিসানীতি ঢেলে সাজানোর ইঙ্গিত দিল মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (DHS)। সংস্থাটি স্পষ্ট জানিয়েছে, পুরো H-1B ভিসা প্রোগ্রামটিকেই নতুন করে সাজানো হচ্ছে, যার খসড়া ইতিমধ্যে প্রস্তুত। এই নতুন নিয়ম চলতি বছরের ডিসেম্বর মাসেই প্রকাশিত হতে পারে। হোমল্যান্ড সিকিউরিটির এই কড়া পদক্ষেপের মূল লক্ষ্য H-1B প্রোগ্রামে স্বচ্ছতা আনা এবং ট্রাম্পের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ স্লোগানকে মাথায় রেখে আমেরিকান কর্মীদের বেতন ও কাজের পরিবেশ সুরক্ষিত করা। নতুন নীতিতে যে বিষয়গুলির ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে (H-1B Policy Overhaul):
১. ক্যাপ-মুক্তির নতুন মাপকাঠি: ভিসা কোটা বা ‘ক্যাপ’-এর আওতায় কোন সংস্থা বা কর্মীরা ছাড় পাবেন, তা নতুন করে নির্ধারণ করা হবে। ২. তদারকি বৃদ্ধি: যারা ভিসা নীতি ও নিয়ম ভেঙেছে, তাদের ওপর কড়া নজরদারি চালানো হবে। ৩. থার্ড পার্টি নিয়োগ: থার্ড পার্টি মারফত নিয়োগের ক্ষেত্রে সরকারের তদারকি আরও বাড়ানো হবে। ৪. লটারি পদ্ধতির অবসান: আগেই ঘোষণা করা হয়েছিল, H-1B ভিসার জন্য লটারি পদ্ধতি তুলে দেওয়া হবে, সেই লক্ষ্যেই চলছে পরিকল্পনা (H-1B Policy Overhaul)।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, H-1B ভিসা হোল্ডারদের মধ্যে ৭১ শতাংশই ভারতীয়। ফলে এই নতুন ও কঠোর নীতির প্রভাব যে হাজার হাজার ভারতীয় ছাত্রছাত্রী ও কর্মীদের ওপর পড়তে চলেছে, তা স্পষ্ট।
যদিও কোটার আওতায় ঠিক কোন সংস্থাগুলো ছাড় পাবে বা চাকরির ধরনের কোনও পরিবর্তন আনা হবে কি না, সে বিষয়ে হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এখনও বিস্তারিত কিছু জানায়নি। তবে ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, বিশ্ববিদ্যালয়, স্বাস্থ্যসেবা এবং অলাভজনক গবেষণা সংস্থাগুলির মতো ক্ষেত্রগুলিতে এর বড়সড় প্রভাব পড়তে পারে (H-1B Policy Overhaul)।
প্রসঙ্গত, গত সেপ্টেম্বরেই ট্রাম্প প্রশাসন ঘোষণা করে, নতুন H-1B ভিসার আবেদনকারীদের এককালীন ১ লক্ষ ডলার ফি দিতে হবে। তবে ২১ সেপ্টেম্বরের আগে যাঁরা আবেদন করেছেন, তাঁদের এই অতিরিক্ত ফি দিতে হবে না। এক লক্ষ ডলার ফি-এর ঘোষণার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার নীতি পরিবর্তনের এই ইঙ্গিত ভারতীয়দের কপালে নতুন করে ভাঁজ ফেলেছে।






