নন্দীগ্রামে ভোটের দিনই কমিশন ঘেরাও অভিযানে ‘ইন্ডিয়া’, জ্ঞানেশের ইস্তফার দাবিতে অনড় মমতা
২ অক্টোবর গাঁধীজয়ন্তীর দিন থেকে ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রার’ ডাক দেওয়া হয়েছে
Truth of Bengal: রাজ্যে বিজেপির ঐতিহাসিক জয়ের পর দিল্লির দরবারে অস্তিত্ব বাঁচানোর অস্তিত্ব রক্ষার লড়াইয়ে নেমেছে তৃণমূল। বুধবার দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে কংগ্রেস, মমতা তৃণমূল ও সিপিএম-সহ ১৯টি বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের নিয়ে এক বৈঠক আয়োজিত হয়। বঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয় এবং ইভিএম-এ কারচুপির অভিযোগে এবার সরাসরি দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’।
তিন ঘণ্টাব্যাপী এই বৈঠকের পর আয়োজিত যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাহুল গান্ধীকে পাশে বসিয়ে একগুচ্ছ অগণতান্ত্রিক কর্মসূচির ঘোষণা করেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়্গে। আগামী ২ অক্টোবর থেকে ৮ অক্টোবর পর্যন্ত তথাকথিত ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ এবং ৬ অক্টোবর নির্বাচন সদন ঘেরাওয়ের কড়া হুমকি দিয়েছে তারা। একই সাথে ইভিএম (EVM) বাতিল করে পুনরায় কারচুপির পুরোনো ব্যালট প্রথায় ভোট ফেরানো এবং নির্বাচন কমিশনকে মোদি-শাহের ‘দাবার বোড়ে’ বলে দাগিয়ে দিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা চালায় তারা।
সাংবাদিক সম্মেলনে অভ্যাসবশত চরম আক্রমণাত্মক মেজাজে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ‘চোর’ বলে তোপ দাগেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি দাবি করেন, “ওরা বাংলায় ভোট লুট করেছে! জ্ঞানেশ কুমার ইভিএম পুড়িয়েছেন, উনি অবিলম্বে ইস্তফা দিন।” অন্যদিকে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বৈঠকে করুণ সুরে স্বীকার করেন যে, বাংলায় চরম ভরাডুবির পর বিজেপি সরকারের ভয়ে তিনি নাকি বাড়ি থেকে বেরোতেই পারছেন না! প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর এই কাতর প্রলাপ শুনে হতবাক হয়ে যান জোটের অন্যান্য শরিক নেতারাও।






