অপমান করেছে ইউনূস সরকার! নির্বাচনের পরই পদত্যাগ করবেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হলেও, তাঁর ভূমিকা মূলত আনুষ্ঠানিক। দেশের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার হাতে থাকে।
Truth Of Bengal: সংসদ নির্বাচন শেষ হওয়ার পরই পদত্যাগ করবেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন। বৃহস্পতিবার সংবাদ সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, নোবেলজয়ী মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের দ্বারা তিনি অপমানিত বোধ করেছেন।
বাংলাদেশের রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে মোহাম্মদ শাহাবুদ্দিন সশস্ত্র বাহিনীর সর্বাধিনায়ক হলেও, তাঁর ভূমিকা মূলত আনুষ্ঠানিক। দেশের নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রী এবং মন্ত্রিসভার হাতে থাকে।
তবে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট মাসে ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানে দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হয়ে দিল্লি চলে যাওয়ার পর এবং সংসদ বিলুপ্ত হওয়ায়, তিনি একমাত্র সাংবিধানিক কর্তৃপক্ষ হিসেবে দেশের গুরুত্বপূর্ণ পদে অধিষ্ঠিত হন।
৭৫ বছর বয়সী শাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালে শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পাঁচ বছরের জন্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছিলেন।
ঢাকা থেকে হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে নেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি রয়টার্সকে বলেন, “আমি চলে যেতে আগ্রহী। আমি পদত্যাগ করতে আগ্রহী।” তিনি আরও বলেন, “নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত আমার দায়িত্বে থাকা উচিত। আমি সাংবিধানিকভাবে অর্পিত রাষ্ট্রপতির পদ বহাল রাখছি।”
রাষ্ট্রপতি শাহাবুদ্দিনের অভিযোগ, ড. ইউনূস প্রায় সাত মাস ধরে তাঁর সাথে দেখা করেননি, তাঁর প্রেস বিভাগ কেড়ে নেওয়া হয়েছে এবং গত সেপ্টেম্বরে সারা বিশ্বের বাংলাদেশ দূতাবাসগুলো থেকে তাঁর ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।
তিনি বলেন, “সকল কনস্যুলেট, দূতাবাস এবং হাই কমিশনে রাষ্ট্রপতির ছবি ছিল, যা হঠাৎ এক রাতে সরিয়ে দেওয়া হল। এতে মানুষের কাছে ভুল বার্তা যায় যে হয়তো রাষ্ট্রপতিকেও সরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। আমি খুবই অপমানিত বোধ করেছি।”
শাহাবুদ্দিন আরও জানান, ছবির বিষয়টি নিয়ে তিনি ইউনূসকে চিঠিও লিখেছিলেন, কিন্তু কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে ড. ইউনূসের প্রেস উপদেষ্টারা তাৎক্ষণিকভাবে এখনও কোনও মন্তব্য করেননি।






