আন্তর্জাতিক

একই পথে বাংলাদেশ-নেপাল! ইস্তফার পর ওলির বাসভবনে আগুন ধরিয়ে নাচ বিক্ষোভকারীদের

তারপরই তাঁর নিজস্ব বাসভবনে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। আগুন লাগানোর পরই সেখানে তাঁদের নাচতে ও উল্লাস করতে দেখা যায়।

Truth Of Bengal: মিলে যাচ্ছে ঘটনা ও পরিণতি! গত বছর আগস্টের ৫ তারিখ তরুণ প্রজন্মের ক্ষোভের মুখে পড়ে ইস্তফা দিয়ে দেশত্যাগ করতে বাধ্য হয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারপর বঙ্গভবনে তাণ্ডব চালায় আন্দোলনকারীরা। এবার নেপালেও ধরা পড়ল তেমন ছবি। মঙ্গলবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে.পি. শর্মা ওলি তরুণ প্রজন্মের রোষের কবলে পড়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য হন। তারপরই তাঁর নিজস্ব বাসভবনে আগুন লাগিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা। আগুন লাগানোর পরই সেখানে তাঁদের নাচতে ও উল্লাস করতে দেখা যায়।

এর আগেও বিক্ষোভকারীরা নেপালি কংগ্রেসের দলীয় কার্যালয়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। উল্লেখযোগ্য যে, নেপালি কংগ্রেসের সমর্থনেই কে.পি. শর্মা ওলি প্রধানমন্ত্রী পদে আসীন হয়েছিলেন। এবার সেই কংগ্রেস সদর দফতর ও ওলির ব্যক্তিগত বাড়ি দুই জায়গাতেই আগুনের লেলিহান শিখা জ্বলে ওঠে।

প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের পরও আন্দোলন থামেনি। বরং ক্রমে তা আরও ভয়াবহ হয়ে উঠছে। গণবিক্ষোভে এখন গোটা কাঠমান্ডুর আকাশ ধোঁয়ায় আচ্ছন্ন। রাজধানীর একাধিক বহুতল ও সরকারি-বেসরকারি অফিসেও আগুন ধরিয়ে দিচ্ছেন ক্ষুব্ধ জনতা।

প্রসঙ্গত, নেপালের এই ঘটনা সবাইকে মনে করিয়ে দিচ্ছে ২৪ সালে বাংলাদেশে ঘটা গণআন্দোলনের কথা। শুধু বাংলাদেশ নয় সেই সঙ্গে শ্রীলঙ্কার কথাও মনে পড়ে যাচ্ছে অনেকের।

Related Articles