জ্বালানি বাঁচাতে আবারও ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’! প্রধানমন্ত্রীর আর্জিতে বড় পদক্ষেপ দিল্লি সরকারের
প্রধানমন্ত্রীর এই আর্জিকে গুরুত্ব দিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করল দিল্লি সরকার।
Truth of Bengal: পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির জেরে ভারতে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে দেশবাসীকে সংযমী হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংকট মোকাবিলায় তিনি অপ্রয়োজনীয় পেট্রল-ডিজেল সাশ্রয়ের ওপর জোর দিয়ে আমজনতাকে প্রয়োজনে আবারও ‘ওয়ার্ক ফ্রম হোম’ বা বাড়ি থেকে কাজ করার পরামর্শ দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর এই আর্জিকে গুরুত্ব দিয়ে ইতিবাচক পদক্ষেপ গ্রহণ করল দিল্লি সরকার। বৃহস্পতিবার জানানো হয়েছে, এখন থেকে দিল্লি সরকার ও মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের কর্মীরা সপ্তাহে দুই দিন বাড়ি থেকে কাজ করবেন এবং অফিসের অন্তত ৫০ শতাংশ বৈঠক অনলাইনে সম্পন্ন করা হবে।
জ্বালানি সাশ্রয় ও যানজট নিয়ন্ত্রণে আনতে অফিসের সময়সূচিতেও বড়সড় পরিবর্তন আনছে কেজরিওয়াল সরকার। সরকারি কর্মচারীদের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য বরাদ্দ পেট্রলের সীমা ২০ শতাংশ কমিয়ে আনা হয়েছে এবং আগামী ছয় মাস নতুন কোনো যানবাহন না কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সাধারণ মানুষকে গণপরিবহণে উৎসাহিত করতে দিল্লিতে প্রতি সপ্তাহে একদিন ‘মেট্রো ডে’ এবং ‘নো-কার ডে’ পালন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া কর্মীদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য ২৯টি সরকারি কলোনিতে ৫৮টি বিশেষ বাস চালুর ঘোষণা করেছে প্রশাসন।
প্রধানমন্ত্রী মোদি দেশপ্রেমের এক নতুন সংজ্ঞা তুলে ধরে জানিয়েছেন, শুধু সীমান্তে লড়াই করাই দেশপ্রেম নয়, বরং সংকটকালে দায়িত্বশীল জীবনযাপন করাও দেশের প্রতি এক বড় কর্তব্য। জ্বালানির পাশাপাশি তিনি দেশবাসীকে বিদেশযাত্রা, বিলাসবহুল বিয়ের পরিকল্পনা কাটছাঁট এবং ভোজ্য তেলের ব্যবহার কমানোর অনুরোধ করেছেন। এমনকি দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থে আগামী এক বছর সোনা না কেনারও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর মতে, বর্তমান আন্তর্জাতিক পরিস্থিতিতে দৈনন্দিন জীবনে কৃচ্ছ্রসাধনই হবে দেশের প্রতি প্রকৃত নাগরিক দায়িত্ব।






