Transgender Conversion: ইন্দোরে ‘কিন্নর জিহাদ’? হিন্দু ট্রান্সজেন্ডারদের ধর্মান্তরে চাপ, এইচআইভি সংক্রমণের চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
বহু ট্রান্সজেন্ডার সদস্যকে জোর করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করা হয়েছে এবং ইনজেকশন নেওয়ার সময় তাঁদের এইচআইভি-সংক্রমিত সিরিঞ্জ ব্যবহার করা হয়।
Truth of Bengal: ইন্দোরের নন্দলালপুরা পাড়ায় হিন্দু ট্রান্সজেন্ডার সম্প্রদায়ের সদস্যদের অভিযোগ ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, কিছু মুসলিম ট্রান্সজেন্ডার সদস্য জোর করে ইসলাম ধর্মে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টা করছেন এবং যাঁরা তা মানতে নারাজ, তাঁদের ইচ্ছাকৃতভাবে এইচআইভি-সংক্রমিত সিরিঞ্জের মাধ্যমে সংক্রমিত করা হচ্ছে। এই চাঞ্চল্যকর অভিযোগের নেতৃত্বে রয়েছেন হিজড়া সম্প্রদায়ের হিন্দু নেত্রী সাকিনা গুরু। তিনি দাবি করেন, মালেগাঁওয়ের সীমা হাজি—যিনি ‘ফারজানা’ ও ‘পায়েল ওরফে নাঈম আনসারি’ নামেও পরিচিত—এই জোরপূর্বক ধর্মান্তর অভিযানের মুখ্য ভূমিকা পালন করছেন (Transgender Conversion)।
সাকিনার অভিযোগ অনুযায়ী, বহু ট্রান্সজেন্ডার সদস্যকে জোর করে ইসলাম ধর্ম গ্রহণে বাধ্য করা হয়েছে এবং ইনজেকশন নেওয়ার সময় তাঁদের এইচআইভি-সংক্রমিত সিরিঞ্জ ব্যবহার করা হয়। তিনি জানান, যাঁরা ইনজেকশন নিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে প্রায় ৬০ জন আক্রান্ত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ১২ জনকে ইন্দোরের এমওয়াই হাসপাতালের এআরটি সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। সাকিনা আরও দাবি করেন, অনেকেই এই ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে পালিয়ে গিয়েছেন, আবার কেউ কেউ ভয়ে অভিযুক্তদের দলে যোগ দিয়েছেন। তিনি জানান, ২০০০ সালে মালেগাঁও থেকে ইন্দোরে আসার সময় পায়েল তার স্ত্রী ও সন্তানদের ফেলে রেখে আসে এবং ইন্দোরে এসে হিন্দু ট্রান্সজেন্ডারদের ইসলাম ধর্ম গ্রহণে চাপ দিতে শুরু করে। এমনকি সাকিনাকে হজে পাঠিয়ে ধর্মান্তরিত করার চেষ্টাও করা হয়।
এই পরিস্থিতি বুঝতে পেরে সাকিনা নিজস্ব একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। কিন্তু সীমা ও তাঁর দলবল হিন্দু সদস্যদের উপর চাপ বাড়াতে থাকে এবং মহারাষ্ট্র থেকে আরও মুসলিম ট্রান্সজেন্ডার সদস্যদের ডেকে আনা হয় বলে তাঁর অভিযোগ। এই বিষয়ে সাকিনার আইনজীবী জানান, তাঁরা পুলিশ কমিশনার, প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর, মুখ্যমন্ত্রী দপ্তর, ভারতের প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য উচ্চপদস্থ কর্তৃপক্ষের কাছে আইনি অভিযোগ জমা দিয়েছেন। অভিযোগের প্রমাণ হিসাবে কিছু ভিডিও-ও শেয়ার করা হয়েছে, যেখানে দাবি করা হয়েছে, “কিন্নর জিহাদের শিকার” প্রায় ১০০ জন ট্রান্সজেন্ডার বর্তমানে ইন্দোরে চিকিৎসা তত্ত্বাবধান ছাড়াই মানবেতর পরিস্থিতিতে বাস করছেন (Transgender Conversion)।
এই সংঘর্ষের জেরে সম্প্রতি চন্দন নগর ও বিজয় নগর থানায় একাধিক বার দ্বন্দ্ব ও অভিযোগের ঘটনা সামনে এসেছে। এর আগেও গত মাসে পাণ্ড্রিনাথ থানার অন্তর্গত এলাকায় এমন অশান্তির জেরে সেখানকার স্টেশন-ইন-চার্জকে বদলি করা হয়েছিল। সাকিনা পরে কালেক্টর আশীষ সিং-এর কাছে অভিযোগ জানালে মামলাটি এসডিএম নিধি ভার্মার হাতে হস্তান্তর করা হয়। সাকিনার গোষ্ঠীর আত্মহত্যার হুমকি এবং পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রতিবাদের পর, পুলিশ কমিশনার সন্তোষ কুমার সিং ডিসিপি ঋষিকেশ মীনা-র নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্ত দল (SIT) গঠন করেন (Transgender Conversion)।






