Mumbai Train Blast: ২০০৬ মুম্বই ট্রেন বিস্ফোরণ মামলা: বেকসুর খালাস ১২ জনকে গ্রেফতার নয়, জানাল সুপ্রিম কোর্ট
তবে হাইকোর্টে বেকসুর খালাস পাওয়া ১২ জনের মুক্তি নিয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করেনি দেশের শীর্ষ আদালত।
Truth of Bengal: ২০০৬ সালে মুম্বইয়ের লোকাল ট্রেনে ধারাবাহিক বিস্ফোরণের ঘটনায় বম্বে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল, তার উপরে আংশিক স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। তবে হাইকোর্টে বেকসুর খালাস পাওয়া ১২ জনের মুক্তি নিয়ে কোনও হস্তক্ষেপ করেনি দেশের শীর্ষ আদালত। বরং সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছে, ওই ১২ জনকে নতুন করে গ্রেফতার করা যাবে না। গত ২১ জুলাই বম্বে হাইকোর্টের বিচারপতি অনিল কিলোড় ও শ্যাম চাঁদের বিশেষ ডিভিশন বেঞ্চ এক ঐতিহাসিক রায়ে ২০০৬ সালের বিস্ফোরণ মামলায় নিম্ন আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়া ১২ জনকে বেকসুর খালাস দেয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেছিল মহারাষ্ট্র সরকার (Mumbai Train Blast)।
আরও পড়ুন: Rishabh Pant: গুরুতর চোট পন্থের, মেটাটারসাল ফ্র্যাকচারের আশঙ্কা
বৃহস্পতিবার বিচারপতি এমএম সুন্দরেশ এবং বিচারপতি এন কোটিশ্বর সিং-এর ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, বম্বে হাইকোর্টের রায়কে নজির হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না এবং সেই নিরিখে রায়ের একটি অংশে স্থগিতাদেশ দেওয়া হচ্ছে। তবে মুক্তিপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে কোনও গ্রেফতারি পদক্ষেপ নেওয়া যাবে না বলেই জানিয়ে দেয় আদালত। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, ‘ আইনি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতার বক্তব্য বিচার্য। সেই প্রেক্ষিতেই রায়ের কিছু অংশে স্থগিতাদেশ দেওয়া হল। তবে অভিযুক্তদের মুক্তির বিষয়ে হস্তক্ষেপ করা হবে না, কারণ একবার যাঁরা মুক্তি পেয়েছেন, তাঁদের পুনরায় জেলে ফেরানোর প্রশ্নই ওঠে না।‘ শীর্ষ আদালতে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা বলেন, ‘ আমি অভিযুক্তদের নতুন করে গ্রেফতারের আবেদন করছি না। তবে রায়ের কিছু পর্যবেক্ষণ ‘মহারাষ্ট্র কন্ট্রোল অফ অর্গানাইজড ক্রাইম অ্যাক্ট’-এর অধীনে অন্যান্য মামলায় প্রভাব ফেলতে পারে বলেই হাইকোর্টের রায়ের উপর স্থগিতাদেশ প্রয়োজন (Mumbai Train Blast)।‘
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1ADtx3ZZeU/
প্রসঙ্গত, ২০০৬ সালের ১১ জুলাই মুম্বইয়ের শহরতলি অঞ্চলের লোকাল ট্রেনে ধারাবাহিক সাতটি বিস্ফোরণে মৃত্যু হয়েছিল ১৮৯ জন যাত্রীর, আহত হয়েছিলেন ৮২৪ জন। ২০১৫ সালে এই ঘটনায় নিম্ন আদালত ১২ জনকে দোষী সাব্যস্ত করে, যার মধ্যে ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং ৭ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ঘোষণা করা হয়।তবে বম্বে হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ ছিল, ‘ তদন্তকারীরা সন্দেহের ভিত্তিতে যুক্তি দাঁড় করালেও তা যথাযথভাবে প্রমাণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।‘ সেই কারণেই অভিযুক্তদের মুক্তি দেয় আদালত। বর্তমানে মামলাটি সুপ্রিম কোর্টের নজরে থাকলেও মুক্তিপ্রাপ্তদের মুক্তি বহাল থাকছে এবং পরবর্তী শুনানির জন্য সংশ্লিষ্ট সকলকে নতুন করে নোটিস পাঠানো হবে। তদন্তের গতি ও আইনত দৃষ্টিভঙ্গি অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টের পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকেই এখন নজর গোটা দেশের (Mumbai Train Blast)।






