কালীপুজোর আগে জেলমুক্তি হবে সুজিত বসুর? সুপ্রিম কোর্টে ইডিকে নোটিস
কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিকে নোটিস পাঠাল শীর্ষ আদালত
Truth of Bengal: ইডির আর্থিক দুর্নীতি মামলায় জেলবন্দি প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর জামিন নিয়ে ফের জল্পনা। কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন খারিজ হওয়ার পর সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানিতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডিকে নোটিস পাঠাল শীর্ষ আদালত। মামলায় ইডির বক্তব্য জানতে চেয়েছেন বিচারপতিরা। ফলে কালীপুজোর আগে সুজিত বসু জেল থেকে মুক্তি পাবেন কি না, তা নিয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হল না। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এমএম সুন্দরেশ ও বিচারপতি প্রসন্ন বি ভাড়ালের ডিভিশন বেঞ্চে মামলাটি ওঠে। শুনানিতে দু’পক্ষের আইনজীবীদের সওয়াল-জবাবের পর ইডিকে নোটিস পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারপতিরা। আইনি মহলের ব্যাখ্যা, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার জবাব পাওয়ার পরই সুজিত বসুর জামিনের আবেদন নিয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নিতে পারে আদালত।
গত মে মাসে রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর প্রাক্তন মন্ত্রী সুজিত বসুর বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়। এর আগে পুরসভা নিয়োগ দুর্নীতি ও শিক্ষক নিয়োগের মতো একাধিক মামলার তদন্তভার পেয়েছিল ইডি ও সিবিআই। গত ১২ মে গ্রেফতার করা হয় প্রাক্তন দমকল মন্ত্রী তথা বিধাননগরের প্রাক্তন বিধায়ক সুজিত বসুকে। তারপর থেকেই জেলবন্দি তিনি। তদন্ত যত এগিয়েছে, ততই সুজিত বসুর বিরুদ্ধে একাধিক আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে বলে দাবি তদন্তকারীদের। তাঁর ছেলের রেস্তরাঁয় বেআইনি কাজকর্মের অভিযোগও উঠেছে। এই সমস্ত অভিযোগের সূত্র ধরে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চালান ইডির আধিকারিকরা। একাধিক মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত চলায় বারবার জামিনের আবেদন খারিজ হয়েছে।
এর আগে কলকাতা হাই কোর্টে জামিনের আবেদন করেছিলেন সুজিত বসু। কিন্তু সেই আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। ইডির আইনজীবীর দাবি ছিল, জামিন পেলে প্রভাব খাটিয়ে তদন্তের গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণ নষ্ট করতে পারেন প্রাক্তন মন্ত্রী। তাতে তদন্ত প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এই যুক্তি শোনার পর জামিন মঞ্জুর করেনি হাই কোর্ট।






