Nimisha Priya: ইয়েমেনে মৃত্যুদণ্ডের মুখে কেরলের নার্স! প্রাণ বাঁচাতে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা
সংগঠনের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা হয়েছে একটি জনস্বার্থ মামলা। তাঁদের আবেদন, ভারত সরকার যেন কূটনৈতিক স্তরে হস্তক্ষেপ করে নিমিশার প্রাণ বাঁচানোর উদ্যোগ নেয়।
Truth of Bengal: ইয়েমেনে মৃত্যুদণ্ডের মুখে কেরলের নার্স নিমিশা প্রিয়া। জানা গিয়েছে, আগামী ১৬ জুলাই তাঁর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হতে চলেছে। এর ঠিক আগেই ভারতের শীর্ষ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে ‘সেভ নিমিশা প্রিয়া অ্যাকশন কাউন্সিল’ নামে একটি মানবাধিকার সংগঠন। সংগঠনের পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টে দায়ের করা হয়েছে একটি জনস্বার্থ মামলা। তাঁদের আবেদন, ভারত সরকার যেন কূটনৈতিক স্তরে হস্তক্ষেপ করে নিমিশার প্রাণ বাঁচানোর উদ্যোগ নেয়। শীর্ষ আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, আগামী ১৪ জুলাই এই মামলার শুনানি করবেন বিচারপতি সুধাংশু ধুলিয়া ও বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীর ডিভিশন বেঞ্চ (Nimisha Priya)।
কেরলের পালাক্কড় জেলার বাসিন্দা নিমিশা প্রিয়া ২০০৮ সাল থেকে ইয়েমেনে নার্স হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ২০১৪ সালে তাঁর স্বামী ও সন্তান ভারতে ফিরে এলেও, তিনি সেখানেই থেকে যান ক্লিনিক খোলার লক্ষ্যে। সেখানেই তালাল আবদো মেহদি নামে এক ব্যক্তির সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর। দু’জনে মিলে একটি ক্লিনিক খোলেন। কিন্তু পরে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব শুরু হয়। অভিযোগ, মেহদি নিমিশার পাসপোর্ট কেড়ে নেয় এবং তাঁর ওপর অত্যাচার শুরু করে। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও কোনও সুরাহা না হওয়ায়, বাধ্য হয়ে ‘অন্য পথ’ বেছে নেন নিমিশা। ২০১৭ সালের ২৫ জুলাই, মেহদিকে ঘুমের ইঞ্জেকশন দেন তিনি, যাতে সে অচেতন অবস্থায় তাঁর কাছ থেকে পাসপোর্ট উদ্ধার করা যায়। কিন্তু ওষুধের অতিরিক্ত ডোজে মৃত্যু হয় মেহদির। পরে অন্য এক ব্যক্তির সাহায্যে তাঁর দেহ টুকরো করে জলের ট্যাঙ্কে ফেলে দেন নিমিশা। পালানোর চেষ্টা করলে ধরা পড়েন এবং ২০১৮ সালে ইয়েমেনের আদালত তাঁকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে (Nimisha Priya)।
truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/193NB43TzC/
গত কয়েক বছর ধরে নিমিশার পরিবার ও আন্তর্জাতিক সংগঠনগুলি প্রাণভিক্ষার আবেদন জানিয়ে আসছে। ভারত সরকারও বিদেশমন্ত্রকের মাধ্যমে কূটনৈতিক স্তরে চেষ্টা চালিয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি জানা গিয়েছে, ইয়েমেনের প্রেসিডেন্ট রশিদ মহম্মদ আল আলিমি নিমিশার প্রাণভিক্ষার আবেদন খারিজ করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে শেষ চেষ্টা হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে ‘সেভ নিমিশা প্রিয়া অ্যাকশন কাউন্সিল’। তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় সরকার যেন অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে এবং ইয়েমেন সরকারের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে নিমিশার প্রাণদণ্ড রোখে। ১৪ জুলাইয়ের শুনানিতে কী হয় সুপ্রিম কোর্টে , এখন তাকিয়ে গোটা দেশ (Nimisha Priya)।






