দেশ

দশেরাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্র জেএনইউ, তুমুল অশান্তি এডিভিপি-বাম ছাত্র সংগঠনগুলির মধ্যে

Truth Of Bengal: দশেরাকে কেন্দ্র করে রণক্ষেত্রের চেহারা নিল জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তনী উমর খালিদ এবং শারজিল ইমামের আদলে রাবণের কুশপুতুল বানিয়ে তা পোড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল এবিভিপির তরফ থেকে। এরপরই মিছিলে পাথর ছোড়ার অভিযোগ ওঠে। বিজেপির ছাত্র সংগঠনের অভিযোগ, মিছিলে পাথর ছুড়েছে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলিই। একাধিক পড়ুয়া আহত হয়েছেন বলে খবর। (JNU Clash)

আরও পড়ুনঃ ইছামতিতে আজ প্রতিমা বিসর্জন, বসিরহাটে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা

জানা যায়, সবরমতী টি পয়েন্টের কাছে ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা নাগাদ। ইটবৃষ্টির জেরে অনেক ছাত্র জখম হয়েছেন। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে এবিভিপি। নিজের অবস্থানে বিশ্ববিদ্যালয়ের এবিভিপি প্রেসিডেন্ট মায়াঙ্ক পাঞ্চাল দাবি করেন, আঘাত করা হয়েছে ধর্মীয় অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎসব এবং পড়ুয়াদের বিশ্বাসেও। সংগঠনের তরফ থেকে একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে এবং ঘটনাটিকে ‘নক্কারজনক’ তকমা দেওয়া হয়েছে। অভিযোগের আঙ্গুল তোলা হয়েছে আইসা, এসএফআই এবং ডিএসএফের মতো ছাত্র সংগঠনগুলির দিকে। (JNU Clash)

লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal

যদিও যেই অভিযোগগুলি তোলা হয়েছে, তা অস্বীকার করেছে আইসা। তাদের তরফ থেকেও একটি বিবৃতি দেওয়া হয়েছে গোটা বিষয়টি নিয়ে। তাতে লেখা হয়েছে, “উমর খালিদ এবং শারজিল ইমামের আদলে রাবণের কুশপুতুল বানিয়ে দহনের ব্যবস্থা ইসলামোফোবিয়ার নিদর্শন। এভাবে ধর্মীয় ভাবাবেগে আঘাত করা হয়েছে রাজনৈতিক স্বার্থের কথা মাথায় রেখেই। জেএনইউ কোনওদিনই সহ্য করবে না ঘৃণার রাজনীতি।” সংগঠনের তরফ থেকে প্রশ্ন তোলা হয় যে কেন রাবণের কুশপুতুল পোড়ানো হলো না নাথুরাম গডসের মতো ব্যক্তিত্বের আদলে। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনা নিয়ে কোন মন্তব্য করেনি বিশ্ববিদ্যালয়। (JNU Clash)

Related Articles