পশ্চিমবঙ্গে SIR কবে? সাফ জানাল ভারতের নির্বাচন কমিশন
এই প্রেক্ষিতে রবিবার সাংবাদিক বৈঠক থেকে প্রতিক্রিয়া দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।
Truth Of Bengal: ভোট শুরু হতে এখনও বাকি। কিন্তু ভোটার তালিকা পরিস্কার রাখতে তৎপর ভারতীয় নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। বিহারে SIR- এর কারণে ভোটার লিস্ট থেকে ইতিমধ্যে ৬৫ লক্ষ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। সেই ইস্যুতে যোগ্য ভোটারদের বাদ দেওয়া নিয়ে বিরোধী দলগুলি সংসদে একাধিকবার সরব হয়েছে। এদিকে এই ঘটনায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সরাসরি কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা করেছেন। অন্যদিকে কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী এসআইআর প্রক্রিয়াকে সামনে রেখে ভোট চুরির অভিযোগ তুলেছেন। বিরোধী দলগুলির দাবি, কমিশন ও বিজেপি মিলে এই চক্রান্ত চালাচ্ছে। প্রশ্ন উঠছে, পশ্চিমবঙ্গে কবে SIR-এর পরিকল্পনা করছে কমিশন?
Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar stand very clear on SIR. He says,
“…The three Election Commissioners will decide when the exercise of SIR will be carried out in West Bengal or other states.”Video: ANI pic.twitter.com/qlT5kVVJ3r
— Geetika Sharma (@geetika851) August 17, 2025
এই প্রেক্ষিতে রবিবার সাংবাদিক বৈঠক থেকে প্রতিক্রিয়া দিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। তিনি স্পষ্ট জানান, কমিশন কারও পক্ষপাত করে না- সব দলই কমিশনের কাছে সমান। রাজনৈতিক দলগুলির রেজিস্ট্রেশনও কমিশনের মাধ্যমেই হয়। তাঁর বক্তব্য, এসআইআর প্রক্রিয়া সব রাজনৈতিক দলের বিএলএ-এর ওপর ভিত্তি করেই করা হচ্ছে। ‘ভোট চুরি’র মতো শব্দ ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জ্ঞানেশ কুমারের অভিযোগ, কমিশনের (Election Commission) কাঁধে বন্দুক রেখে রাজনৈতিক লড়াই চালানো হচ্ছে। তিনি আরও জানান, ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভোটার তালিকার খসড়া সংশোধন চলবে। দক্ষতার সঙ্গে বিশেষ সংশোধন প্রক্রিয়া এগোচ্ছে এবং সব দলকেই তালিকা দেওয়া হয়েছে। প্রথমে বিহারে এসআইআর শুরু হয়েছে, বাংলায় কবে হবে তা যথাসময়ে জানানো হবে।
তিনি দাবি করেন, কেরল ও কর্নাটকে ভোট চুরির অভিযোগ তোলা হলেও সেগুলি ভিত্তিহীন। অভিযোগকারীরা প্রমাণ দেখাতে পারছেন না। আসলে ভোটাধিকার সুরক্ষিত করতেই এসআইআর প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছে। বিহারে ইতিমধ্যেই ৭ কোটির বেশি বাড়িতে গিয়ে সমীক্ষা হয়েছে। এর ফলে বিদেশি ভোটারদের বাদ দেওয়া সম্ভব হবে। কমিশনারের কথায়, ভারতে ভোটাধিকার শুধুমাত্র ভারতীয় নাগরিকদেরই। নির্বাচন কমিশন (Election Commission) কোনও দলের পক্ষে বা বিপক্ষে নয়।






