মহুয়া মৈত্র মামলায় বড় স্বস্তি! চার্জশিট স্থগিত করল দিল্লি হাই কোর্ট
ঘুষের বিনিময়ে লোকসভায় আদানি বিরোধী প্রশ্ন তোলার অভিযোগ গত ২০২৪ সালের গোড়ার দিকে সামনে আসে।
গত ১২ নভেম্বর লোকপাল মহুয়ার বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেওয়ার অনুমতি দিয়েছিল এবং চার সপ্তাহের সময়সীমাও নির্ধারণ করেছিল। সেই নির্দেশকেই চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাই কোর্টে আবেদন করেন মহুয়ার আইনজীবী নিধেশ গুপ্তা। এরপরই এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ আসে ডিভিশন বেঞ্চের তরফে। ফলে মামলার শুরুতেই মহুয়ার জন্য এটি একটি বড় আইনি জয় বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
ঘুষের বিনিময়ে লোকসভায় আদানি বিরোধী প্রশ্ন তোলার অভিযোগ গত ২০২৪ সালের গোড়ার দিকে সামনে আসে। বিজেপি সাংসদ নিশিকান্ত দুবের অভিযোগের ভিত্তিতেই তদন্ত শুরু হয় এবং লোকসভা ভোটের আগেই বাতিল হয় মহুয়ার সাংসদ পদ। সংসদীয় কমিটির জেরার মুখেও পড়তে হয় তাকে। এরপর লোকপাল সিবিআইকে চার্জশিট দাখিলের অনুমতি দিলেও হাই কোর্টের নির্দেশে আপাতত সেই প্রক্রিয়া থেমে গেল।
আইন অনুযায়ী, লোকপাল ২০১৩ সালের লোকপাল ও লোকায়ুক্ত আইন-এর ২০(৭)(ক) ও ২৩(১) ধারার ক্ষমতা প্রয়োগ করে চার্জশিট দাখিলের নির্দেশ দিয়েছিল। তবে সেই নির্দেশে এটাও বলা ছিল, চার্জশিট জমা পড়লেই বিচার শুরু হবে—এমন নয়। আদালতে চার্জশিট জমা দেওয়ার পরই সিবিআইয়ের পরবর্তী আবেদন বিবেচনা হবে।
এদিন বিচারপতি অনিল ক্ষেত্রপাল ও বিচারপতি হরিশ বৈদ্যনাথন শংকরের বেঞ্চ শুনানি শেষে জানিয়ে দিয়েছে—সিবিআই এখনই কোনও চার্জশিট দাখিল করতে পারবে না। তবে মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা এখনও বাকি। রায় প্রকাশিত হলে পরিষ্কার হবে—মহুয়া মৈত্র এই মামলায় সম্পূর্ণ মুক্তি পাচ্ছেন কি না।





