লালকেল্লার বিস্ফোরণস্থল থেকে উদ্ধার সেনায় ব্যবহৃত কার্তুজ
গত সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে লালকেল্লার পাশে মেট্রো স্টেশন লাগোয়া এলাকায় পার্ক করা একটি গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে।
Truth Of Bengal: লালকেল্লার কাছে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় সামনে এল নতুন তথ্য। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হয়েছে ৯ এমএম ক্যালিবারের তিনটি কার্তুজ—দুটি অব্যবহৃত এবং একটি ব্যবহৃত খোল। সেনা বা বিশেষ অনুমতিপ্রাপ্ত নিরাপত্তাবাহিনী ছাড়া সাধারণত এই ধরনের কার্তুজ কারও কাছে থাকে না। দিল্লি পুলিশ ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে, উদ্ধার হওয়া কার্তুজ তাদের কোনও কর্মীর নয়।
ফলে প্রশ্ন উঠছে—কার হাতে এল এই সেনা-মানের কার্তুজ? এবং অস্ত্র ছাড়াই সেগুলো কেন বা কীভাবে বিস্ফোরণস্থলে পৌঁছল?ঘটনাস্থল থেকে কোনও আগ্নেয়াস্ত্র বা পিস্তলের অংশ না মেলায় আরও জটিল হয়েছে তদন্ত। ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞরা খতিয়ে দেখছেন, কার্তুজগুলি বিস্ফোরণের সময় গাড়ির ভিতরেই ছিল, নাকি পরে এনে রেখে তদন্তকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে। তদন্তকারীরা চারপাশের সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজও বিশ্লেষণ করছেন।
গত সোমবার সন্ধ্যা ৬টা ৫২ মিনিটে লালকেল্লার পাশে মেট্রো স্টেশন লাগোয়া এলাকায় পার্ক করা একটি গাড়িতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। বিস্ফোরণের তীব্রতায় আশপাশের একাধিক গাড়িতে আগুন ধরে যায়। নিহত হন ১৩ জন, আহত বহু। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বিস্ফোরণের সময় গাড়িটি চালাচ্ছিলেন শ্রীনগরের চিকিৎসক উমর-উন-নবি। তাঁকে ‘সুইসাইড বম্বার’ হিসেবে ব্যবহার করেছে জঙ্গিরা—এমনই অনুমান তদন্তকারীদের। গাড়িতে প্রায় ৩০–৪০ কেজি অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট ছিল বলেও প্রাথমিক ধারণা।বিস্ফোরণের পর থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল লালকেল্লা। শনিবার থেকে মেট্রো স্টেশনের ২ ও ৩ নম্বর গেট খুললেও ১ নম্বর গেট বন্ধ রাখা হয়েছে। এএসআই জানিয়ে দিয়েছে, রবিবার থেকে লালকেল্লা আবার সাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।






