স্বাস্থ্য
Trending

Health Facts: অতিরিক্ত ওজন-স্থুল কিশোর এবং প্রাপ্ত বয়স্ক মহিলাদের তাড়াতাড়ি স্ট্রোকের ঝুঁকি রয়েছে, সমীক্ষায় মিলল আশঙ্কাজনক তথ্য !

Health Facts: Overweight-obese teenagers and adult women are at risk of early stroke, study finds alarming data!

The Truth Of Bengal: আমরা সবাই জানি,মোটা হলে শরীরের নানা বিপদ বেড়ে যায়। বাসা বাঁধে নানা রোগ। তবুও কিছু মানুষ মেদ ঝরানোর কাজে সফল হন না। তাঁরা অতিরিক্ত ওজন নিয়েই জীবন কাটিয়ে দিতে বাধ্য হন। এই অবস্থায় ফিনল্যান্ডের একটি সমীক্ষায়  উঠে এল ভয়ঙ্কর তথ্য। জানা গেছে,যাঁদের অতিরিক্ত ওজন রয়েছে,যাঁরা ১৪থেকে ৩১ বছরের মধ্যে তাঁদের জীবনের ঝুঁকি বেশি। রক্ত জমাট বাঁধার কারণে ৫৫বছরের আগেই স্ট্রোক হতে পারে। যেসব ব্যক্তি অতিরিক্ত ওজনধারী তাঁদের অবশ্য ততটা ঝুঁকি নেই। যদিও অল্পবয়সীদের অতিরিক্ত ওজনের জন্য সব থেকে বেশি জীবন শঙ্কা রয়েছে। সমীক্ষায় উঠে এসেছে,যদি আপনি বয়ঃসন্ধির পর মেদ ঝরাতে পারেন তাহলে ঝুঁকি অনেকটাই কমে যেতে পারে।

ফিনল্যান্ডের সংস্থাটি ১০হাজার নারী-পুরুষের মধ্যে সমীক্ষা করে।যাঁদের মধ্যে অনেক কিশোর-কিশোরীও রয়েছে। সেই সমীক্ষায় আশঙ্কাজনক বিষয় দেখা গেছে.যেসব মেয়ে ১৪বছরের মধ্যে স্থুল হয়ে পড়েছে তাঁরা এই স্ট্রোকে আক্রান্ত হতে পারে।তাঁদের ৮৭শতাংশের এই মিনি- স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। অন্যদিকে যেসব স্থুল মহিলার বয়স ৩১বছরের মধ্যে রয়েছে তাঁদের ১৬৭শতাংশই হৃদরোগে আক্রান্ত হতে পারেন। তুলনামূলকভাবে  যেসব পুরুষের বয়স ১৪থেকে ৩১ বছরের মধ্যে তাঁদের স্ট্রোকের ঝুঁকি কম। তাঁরা স্থুল বা অতিরিক্তি ওজনের হলেও। কিন্তু যেসব পুরুষের বয়স ৩১বছরের বা তার বেশি তাঁদের ব্লিডিং স্ট্রোকের সম্ভাবনা রয়েছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে। একইবয়সের মহিলাদের তুলনায় পুরুষদের জীবনের ঝুঁকি যে বেশি তাও বলা যায়। ওয়ুলু বিশ্ববিদ্যালয়ের পপুলেশন হেল্থ বিভাগের গবেষক উরসুলা মিক্কোলা জানিয়েছেন,তাঁদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে  শরীরের অতিরিক্ত ওজন, দীর্ঘমেয়াদি ক্ষেত্রে  স্বাস্থ্যে  প্রভাব ফেলে।তাই যাঁরা স্বাস্থ্য সংক্রান্ত পেশাদারী সংস্থায় যুক্ত তাঁরা যুবসমাজের অতিরিক্ত ওজন কমানোর দিকে নজর দিন,এই আবেদনও রেখেছেন তিনি।

গবেষকরা বডি মাস ইনডেক্স বা বিএমআইয়ের বিষয়টি বোঝার জন্য ১৪ থেকে ৩১ বছর বয়সীদের তুল্যমূল্য বিচার করেছেন। তাঁরা দেখেছেন,৩৯বছর বয়সের মধ্যে তাঁদের অন্তঃ ২০জন এই মিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন বা হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছেন। মিক্কোলা আরও জানিয়েছেন,সু্স্থ থাকার অন্যতম চাবিকাঠি হল,ধূমপান না করা, ভালো খাবার খাওয়া,স্বাস্থ্যকরভাবে ঘুমানো,ব্লাড প্রেসারকে নিয়ন্ত্রণে রাখা,কোলেস্টোরেল বা ব্লাড প্রেসার কমানো। এছাড়াও অতিরিক্ত মদ্যপান না করা বা ব্যায়াম করাও জরুরি।

 

Related Articles