বাক্স্বাধীনতা মানেই অপমান নয়! সলমন ও তাঁর পরিবারকে নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যে আদালতের নিষেধাজ্ঞা
আদালতে তুলে ধরা হয়, গত বছর থেকে অভিনব বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে সলমন খানের বিরুদ্ধে একাধিক মন্তব্য করেছেন।
Truth Of Bengal: গত কয়েক মাস ধরে ‘দবং’ ছবির পরিচালক অভিনব কাশ্যপ একের পর এক বিতর্কিত মন্তব্য করে যাচ্ছিলেন। শুধু সলমন খানকে নিয়েই নয়, তাঁর পরিবারের সদস্যদেরও বিভিন্ন সময়ে আক্রমণাত্মক মন্তব্য করেন তিনি। এই ধারাবাহিক বিতর্কের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত এবার কড়া নির্দেশ দিলেন—অভিনব কাশ্যপকে সলমন ও তাঁর পরিবারের বিষয়ে কুকথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে। পাশাপাশি মানহানির অভিযোগে ক্ষতিপূরণও দিতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
আদালতে তুলে ধরা হয়, গত বছর থেকে অভিনব বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে সলমন খানের বিরুদ্ধে একাধিক মন্তব্য করেছেন। কখনও অভিনেতাকে ‘গুন্ডা’ বলছেন, কখনও ‘প্রতিহিংসাপরায়ণ’ উল্লেখ করেছেন। এমনকি কাজ কেড়ে নেওয়ার অভিযোগও তোলেন। অভিযোগ অনুযায়ী, তিনি সলমনের বাবা সলিম খান ও দুই ভাই আরবাজ এবং সোহেলকেও আক্রমণ করেন এবং তাদের সম্পর্কেও বিতর্কিত মন্তব্য করেন।
এই মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সলমন খান অভিনব কাশ্যপ, চলচ্চিত্র সমালোচক কোমল মেহেরু, খুশনু হজারে, জন ডো ও একাধিক সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মের বিরুদ্ধে মানহানির মামলা দায়ের করেন। মামলার শুনানিতে আদালত স্পষ্টভাবে জানায়, বাক্স্বাধীনতার আড়ালে কারও বিরুদ্ধে আপত্তিকর, মানহানিকর বা হুমকিমূলক ভাষা ব্যবহার করা আইনত গ্রহণযোগ্য নয়। সলমনের পক্ষে আইনজীবী প্রদীপ গান্ধী আদালতে দাবি করেন, অভিনব কাশ্যপের বক্তব্য ও সাক্ষাৎকারের কারণে সলমন খান এবং তাঁর পরিবারের সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয়েছে এবং এগুলো দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার দাবি জানান। মামলায় ৯ কোটি টাকার মানহানি ক্ষতিপূরণও চাওয়া হয়।
সব বিবেচনা করে আদালত অভিনব কাশ্যপকে ভবিষ্যতে সলমন খান ও তাঁর পরিবারের বিরুদ্ধে কোনও অবমাননাকর মন্তব্য না করার নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে মানহানির ক্ষতিপূরণ হিসেবে বড় অঙ্কের অর্থ প্রদান করার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।






