সম্পাদকীয়

Ahmedabad Plane Crash: আহমেদাবাদে বিমান দুর্ঘটনা- একমাত্র জীবিত বিমানযাত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন প্রধানমন্ত্রী

শুক্রবার সকালেই তাঁকে দেখতে হাসপাতালে আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, আগের দিন দেখা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

Truth of Bengal: আহমেদাবাদের মেঘানিনগরে ঘটে যাওয়া ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় গোটা দেশ শোকস্তব্ধ (Ahmedabad Plane Crash)।  ভয়াবহ দুর্ঘটনায় অলৌকিকভাবে একজন যাত্রী বেঁচে গেছেন। একমাত্র জীবিত ব্যক্তি হিসেবে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্রিটিশ নাগরিক বিশ্বাস কুমার রমেশ (৩৯)। বৃহস্পতিবারের এই দুর্ঘটনায় (Ahmedabad Plane Crash) এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার (বিমান নম্বর এআই- ১৭১) আহমেদাবাদ থেকে উড়াল দেওয়ার মাত্র ৩০ সেকেন্ডের মাথায় ভেঙে পড়ে বিজে মেডিক্যাল কলেজের ক্যান্টিন ভবনের ওপর। ২৪২ জন যাত্রী ও ক্রু মেম্বারের মধ্যে সকলেই নিহত হন, শুধু বেঁচে যান বিশ্বাসকুমার। তিনি বসেছিলেন ১১এ সিটে। ভাই অজয় কুমার রমেশ ছিলেন অন্য এক রো-তে।

আরও পড়ুন: Lakshmi Bhandar: লক্ষীর ভান্ডারের ৬ লক্ষ্যের বেশি মহিলা এখন বার্ধক্য ভাতা পাচ্ছেন: শশী পাঁজা

দুর্ঘটনার পর ভাইয়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতাল থেকেই বিমানবন্দরের ধ্বংসস্তূপে ভাইকে খুঁজে পাওয়ার আবেদন জানান বিশ্বাস। বর্তমানে তিনি বিজে মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন। বুকে গুরুতর চোট পেয়েছেন বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার সকালেই তাঁকে দেখতে হাসপাতালে আসেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, আগের দিন দেখা করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। দুর্ঘটনার পর একটি ভাইরাল ভিডিওয় দেখা যায়, বিমানের ধ্বংসস্তূপ থেকে রক্তাক্ত ও ধূলিমাখা অবস্থায় হেঁটে বেরিয়ে আসছেন বিশ্বাসকুমার (Ahmedabad Plane Crash)। পরে তিনি বলেন, ‘ টেক অফের ৩০ সেকেন্ড পরই এক ভয়ঙ্কর শব্দ। তারপর সব যেন ঝাঁকুনির মধ্যে হারিয়ে গেল। কীভাবে আমি বেরিয়ে এলাম, নিজেই জানি না (Ahmedabad Plane Crash)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/193NB43TzC/

তবে কী ভাবে তিনি বেরিয়ে এসেছিলেন, সে বিষয়ে কিছু জানানোর অবস্থায় ছিলেন না অলৌকিক ভাবে উদ্ধার পাওয়া এই যাত্রী।   বিশ্বাসের ভাই নয়ন কুমার জানিয়েছেন, ‘ আমরা স্তব্ধ হয়ে গিয়েছি। এই ভয়াবহতার মধ্যে ভাই যে বেঁচে আছে, সেটাই অবিশ্বাস্য। তবে ও এখনও মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত (Ahmedabad Plane Crash)।‘  এয়ার ইন্ডিয়ার এই বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার উড়ানের জন্য বিশ্বজুড়ে অত্যন্ত নিরাপদ বলে ধরা হয়। ২০১১ সাল থেকে এটি বিমান সংস্থার বহরে রয়েছে, এবং এ যাবৎ কোনো বড় দুর্ঘটনার শিকার হয়নি। এই দুর্ঘটনার কারণ খতিয়ে দেখতে গঠন করা হয়েছে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি।

Related Articles