
The Truth of Bengal: একাধিক প্রাচীন মন্দির রয়েছে বৈদ্যপুর। প্রতিটি মন্দিরের নিখুঁত টেরাকোটার অপরূপ সুন্দর কারুকার্য আপনি এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে দেখবেন। মনসামঙ্গল কাব্যেও এই সুপ্রাচীন বৈদ্যপুরের উল্লেখ ছিল। বৈদ্যপুরের মূল আকর্ষণ হল জোড়া দেউল। বড় দেউলটির উচ্চতা ৩০ ফুট এবং ছোট দেউলটির উচ্চতা ২০ ফুট। বড় দেউলের পূর্ব দিকে রয়েছে একটি প্রবেশ দ্বার। ছোট দেউলেও একটি প্রবেশ দ্বার রয়েছে। দেউলের উপরে রয়েছে প্রতিষ্ঠা লিপি।
বর্তমানে এই দুই দেউলের মধ্যে কোন দেব দেবীর মূর্তি নেই। এছাড়াও রয়েছে অসংখ্য প্রাচীন মন্দির। যে মন্দিরের পড়তে পড়তে গন্ধ পাওয়া যায় মধ্য যুগের ইতিহাসের। এখানে নবরত্ন ও আটচালা নামে দুটি শিব মন্দির আছে যার মধ্যে নবরত্ন মন্দিরের ধ্বংসাবশেষ রয়েছে। অন্যদিকে আটচালা মন্দিরের টেরাকোটার কারুকার্য এখনও স্পষ্টভাবে দেখতে পাওয়া যায়। ১৮০২ সালে স্থাপিত হয়েছিল এই দুই শিব মন্দির।
লোক মুখে প্রচলিত এই দুই শিব মন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেছে নন্দী জমিদার। পাশাপাশি দেখতে পাবেন নন্দী জমিদারের জমিদার বাড়িও। ভাবছেন কিভাবে যাবেন? হাওড়া থেকে ট্রেনে করে পৌঁছে যান বৈঁচি স্টেশন সেখানে নেমে টোটো করে পৌঁছে যান বৈদ্যপুর। তাই দেরি না করে কলকাতার কাছাকাছি ঘুরতে যেতে চাইলে ১ ২ দিনের জন্য ঘুরে আসতে পারেন বৈদ্যপুর থেকে।






