ভ্রমণ

Bungkulung: অফবিট ডেসটিনেশন: নির্জনতার স্বর্গরাজ্য বুনকুলুং

Offbeat Destination: Bunkulung, a paradise of solitude

Truth of Bengal: শুধু কাঞ্চনজঙ্ঘা পাহাড় নয় চারদিকে রয়েছে সুউচ্চ পাহাড়। একেবারে কুলকুল করে বয়ে চলেছে ছোট্ট পাহাড়ি নদী মুর্মাখোলা। কিছু দূর দিয়ে বয়ে চলেছে বালাসন নদী। উত্তরবঙ্গের অফবিট পর্যটন কেন্দ্র বুনকুলুংয়ে আসলেই চোখে পড়বে এমন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য। নির্জনতার স্বর্গরাজ্য হল বুনকুলুং। কর্মব্যস্ত জীবনে কনক্রিটের জঙ্গলে থাকতে থাকতে ক্লান্ত অবসন্ন জীবনে বুনকুলুংয়ের অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, সবুজের সমারোহ চোখকে স্নিগ্ধ করবে।(Bungkulung)

বুনকুলুং হল এমন এক জায়গা যেখানে চায়ের বাগান, পাহাড়ের ধাপ কেটে উঠে যাওয়া চাষের জমি একসঙ্গে দেখতে পাবেন। কমলালেবুর বাগানের সৌন্দর্য এক অন্য মাত্রা যোগ করেছে। বুনকুলুং নামক ছোট্ট পাহাড়ি গ্রামে আসলে চোখে পড়বে প্রতিটি বাড়ির সামনে কেয়ারি করা ফুলের বাগান। রাতের বেলায় কার্শিয়াং পাহাড়ের কোলে ঘরবাড়ি, দোকানের আলো যখন জ্বলে উঠবে তখন বুনকুলুংয়ের নিস্তব্ধতা নির্জনতার মধ্যে সে দৃশ্য এক অন্য রোমাঞ্চের জন্ম দেয় মনে। বুনকুলুংয়ে ভোরে ঘুম ভাঙে চেনা, অচেনা নানান রকম পাখির কলরবে।

[আরও পড়ুনঃ Documentary on Singur Movement: সিঙ্গুর আন্দোলনের উত্তাল ছবি এবার আসছে তথ্যচিত্রে]

বুনকুলুংয়ের কাছে রয়েছে মুর্মা চা বাগান। পিচঢালা রাস্তা ধরে একটু এগোলেই একটা ক্যান্টিলিভার সেতু আসবে। সেতুর নীচ দিয়ে বয়ে চলেছে মুর্মা খোলা নদী। এগিয়ে চলুন। মুর্মা চা বাগানের মধ্যে দিয়ে হাঁটতে থাকুন। ১০ মিনিটের মধ্যে হাঁটলেই বালাসন নদীর তীরে পৌঁছে যাবেন। বুনকুলুং থেকে মুর্মা আর গয়াবাড়ির চা বাগান ঘুরে দেখা যায়। মিরিকের বোকারে বৌদ্ধ গুম্ফা আর রাঙাভাঙের কমলালেবুর বাগান ঘুরে আসা যায়। বালাসন ও মুর্মাখোলা নদীতে মাছ ধরতে পারেন। বালাসন নদীর তীরে পিকনিক করা যায়।(Bungkulung)

[লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal]

কীভাবে যাবেন বুনকুলুং?

এনজেপি স্টেশন বা বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি পৌঁছে যাওয়া যায় বুনকুলুং। দূরত্ব ৪৩ কিলোমিটার। গাড়ি ভাড়া করে প্রথমেই মিরিকের পথে দুধিয়া পর্যন্ত যান। বালাসন নদী পেরিয়েই মিরিকের রাস্তা ছেড়ে ঘুরতে হবে ডান দিকে। সেখান থেকে ৭-৮ কিলোমিটার দূরে বুনকুলুং। মিরিক থেকে বুনকুলুংয়ের দূরত্ব ১২ কিলোমিটার। শিলিগুড়ি থেকে ১৪ কিলোমিটার দূরে বুনকুলুং। শিলিগুড়ি -মিরিক জাতীয় সড়কের ওপর পড়ে।

কোন সময় বেড়াতে যাওয়ার আদর্শ সময়? কোথায় থাকবেন?

সারা বছর বুনকুলুংয়ে যাওয়া যায়। শীতে মারাত্মক ঠান্ডা থাকে না। বর্ষায় চারপাশে সবুজে ঢাকা থাকে। তাপমাত্রা বাড়াকমা খুব বেশি হয় না। সারা বছর আকাশ মেঘমুক্ত পরিষ্কার থাকে। থাকার জন্য বেশ কিছু রিসর্ট ও হোম স্টে রয়েছে।

Related Articles