খেলা

২২ বছরের অভিশাপ মুক্তি! ইন্টার কাশীকে দুমড়ে প্রথমবার আইএসএল চ্যাম্পিয়ন ইস্টবেঙ্গল

মাঝরাতেই মশালের আলোয় লাল-হলুদ সুনামি! সমর্থকদের কাঁধে চড়ে রাজার মর্যাদায় মাঠ ছাড়লেন ফুটবলাররা!

Truth of Bengal: ২০০৩ সালের আসিয়ান কাপ জয়ের পর কেটে গিয়েছে দীর্ঘ ২২টি বছর। ময়দানের গ্লানি আর ট্রফিহীনতার ট্রোলিং হজম করতে করতে দেওয়ালে পিঠ ঠেকে গিয়েছিল লাল-হলুদ সমর্থকদের। অবশেষে বৃহস্পতিবার রাতে কিশোর ভারতী স্টেডিয়ামে রচিত হল সেই রূপকথা। ম্যাচের ১৪ মিনিটেই আলফ্রেডের গোলে ইন্টার কাশী এগিয়ে গেলে পুরো স্টেডিয়ামে শ্মশানের নীরবতা নেমে আসে। প্রথমার্ধে ১-০ গোলে পিছিয়েই ড্রেসিংরুমে ফেরে ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধে এক অন্য ইস্টবেঙ্গলকে দেখল ভারতীয় ফুটবল বিশ্ব।

কোচ অস্কার ব্রুজোর জাদুকরী রণকৌশলে ম্যাচের ৪৯ মিনিটেই দুর্দান্ত গোল করে দলকে সমতায় ফেরান তারকা ফুটবলার ইউসেফ। এরপর ম্যাচের ৭২ মিনিটে ইন্টার কাশীর ডিফেন্স ডিফেন্স উড়িয়ে জয়সূচক এবং ট্রফি নির্ধারণকারী মেগা গোলটি করেন মহম্মদ রশিদ। শেষ বাঁশি বাজা মাত্রই মাঠের ভেতর আছড়ে পড়ে হাজার হাজার লাল-হলুদ সমর্থকের আবেগ।

রাজার মর্যাদায় ভক্তদের কাঁধে ফুটবলাররা

ম্যাচ শেষের পর পুরো কিশোর ভারতী জুড়ে তখন শুধুই লাল-হলুদ মশালের রোশনাই আর আতশবাজির মেলা। মাঠের নিরাপত্তা ভেঙে সমর্থকরা হুড়মুড় করে ভেতরে ঢুকে পড়েন। অধিনায়ক থেকে শুরু করে বিদেশি ফুটবলারদের আক্ষরিক অর্থেই রাজার মর্যাদায় কাঁধে তুলে নেন ভক্তরা। আনন্দের বন্যায় ভাসতে ভাসতে মাঝরাতেই ইস্টবেঙ্গল ক্লাব তাঁবুতে এসে পৌঁছায় সেই বহু প্রতীক্ষিত আইএসএল সোনার ট্রফি।

ক্লাব সূত্রের খবর, আজ শুক্রবার (২২ মে) বিকেল সাড়ে চারটের সময় ক্লাব তাঁবুতে চ্যাম্পিয়ন ফুটবলারদের নিয়ে এক মেগা সেলিব্রেশনের আয়োজন করা হয়েছে। সেখানে ক্লাবের শীর্ষ কর্তাদের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে পতাকা তোলা হবে এবং সমর্থকদের সঙ্গে ট্রফি হাতে উৎসবে মাতবেন ওস্কারের অপরাজিত যোদ্ধারা। দীর্ঘ দুই দশক পর ময়দানে ফিরল বাঙালির ফুটবল আবেগ।

Related Articles