“তেল নেওয়াই আমার প্রিয় কাজ”, ইরানের খার্গ দ্বীপ দখলের হুমকি দিয়ে বিশ্বজুড়ে তোলপাড় ফেললেন ট্রাম্প
এই দ্বীপ দখল করলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে পারবে।
Truth of Bengal: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধে সপ্তম সপ্তাহে প্রবেশ করেছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের তেল নেওয়া এবং খার্গ দ্বীপে সাময়িক অবস্থান নেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব। খার্গ দ্বীপ ইরানের প্রধান তেল রফতানি কেন্দ্র এবং এটি দখল করলে ইরানের তেল রফতানি কার্যক্রমে বড় ধরনের ব্যাঘাত ঘটানো সম্ভব। ট্রাম্পের কথায়, ‘আমার প্রিয় কাজ হল ইরানের তেল নেওয়া। তবে কিছু বোকার মত মানুষ এটি বোঝে না।’ তিনি আরও ইঙ্গিত দেন, খার্গ দ্বীপে সাময়িক অবস্থান প্রয়োজন হতে পারে। এই দ্বীপ দখল করলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের উপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়াতে পারবে।
এরই মধ্যে মার্কিন সেনারা ইরান উপকূলে সম্ভাব্য যুদ্ধে অংশ নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। গত সপ্তাহে প্রায় ৩,৫০০ সেনা পৌঁছেছে, যার মধ্যে ২,২০০ মার্কিন মেরিন। আরও হাজার হাজার সেনা আসার পথে রয়েছে। ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, পাকিস্তানি দূতদের মাধ্যমে ইরানের সঙ্গে মধ্যস্থতার আলোচনা ইতিবাচক অগ্রগতি দেখাচ্ছে। তবে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলতে চুক্তি হবে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি। তিনি এপ্রিল ৬ তারিখ পর্যন্ত ইরানকে চূড়ান্ত শর্তে সম্মতি দেওয়ার সময় বেঁধে দিয়েছেন। না হলে মার্কিন হামলার হুমকি আছে।
ট্রাম্প আরও বলেছেন, ইরানের স্পিকার গালিবাফ পাকিস্তানি পতাকার তেল ট্যাঙ্কারদের হরমুজ প্রণালীতে যেতে অনুমতি দিয়েছেন। শুরুতে ১০টি ট্যাঙ্কার ছিল, এখন ২০টি যাচ্ছে। তারা মধ্যদ্বার দিয়ে যাচ্ছে। ট্রাম্প এটিকে ইরানের পক্ষ থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে দেওয়া একটি ‘উপহার’ হিসাবে উল্লেখ করেছেন। মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য অনুযায়ী, ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বেও পরিবর্তন হয়েছে। দীর্ঘদিনের সুপ্রিম লিডার আলি খামেইনির মৃত্যুর পরে নতুন নেতৃত্বে এসেছে। ট্রাম্পের দাবি, নতুন সুপ্রিম লিডার মোজতবা খামেইনি হয় মৃত, নয়তো গুরুতরভাবে আহত। ইরান বলেছে, দেশের নেতৃত্ব অক্ষত রয়েছে এবং মোজতবা নিরাপদ আছেন। তবুও ট্রাম্পের হুমকি ও ইঙ্গিত মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়েছে এবং তেলের বাজারে প্রভাব ফেলেছে।






