খেলা

রোহিত শর্মার হাত হঠাৎ টেনে ধরলেন এক মহিলা! ইন্দোরে রুদ্ধশ্বাস কাণ্ড

আচমকা এই ঘটনায় রোহিত শর্মা কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়েন বলেই ভিডিওতে ধরা পড়েছে।

Truth of Bengal: ভারতের তারকা ব্যাটার রোহিত শর্মাকে ঘিরে বড়সড় নিরাপত্তা বিভ্রাটের ঘটনা সামনে এসেছে। সম্প্রতি ইন্দোরে ভারত ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যে তৃতীয় একদিনের ম্যাচ চলাকালীন দলের হোটেলে প্রবেশের সময় এক মহিলা নাকি রোহিত শর্মার হাত ধরে টেনে ধরেন। ঘটনাটির একটি ভিডিও ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে, যা ঘিরে শুরু হয়েছে জোর বিতর্ক।ভাইরাল হওয়া ওই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, নিরাপত্তা বলয় এড়িয়ে এক মহিলা হঠাৎই রোহিত শর্মার কাছে পৌঁছে যান। কোনও কিছু বুঝে ওঠার আগেই তিনি রোহিতের হাত ধরে টান দেন। আচমকা এই ঘটনায় রোহিত শর্মা কিছুটা বিচলিত হয়ে পড়েন বলেই ভিডিওতে ধরা পড়েছে।

পরে ওই মহিলা নিজেই একটি ভিডিও বার্তায় ঘটনার ব্যাখ্যা দেন। তিনি নিজের নাম জানান সরিতা শর্মা। তাঁর দাবি, তাঁর কন্যা অনিকা একটি গুরুতর অসুখে আক্রান্ত। ওই অসুখের চিকিৎসার জন্য একটি বিশেষ ইঞ্জেকশনের প্রয়োজন, যার দাম প্রায় ৯ কোটি টাকা এবং সেটি আমেরিকা থেকে আমদানি করতে হবে। সরিতা জানান, ইতিমধ্যেই ছোট ছোট তহবিল সংগ্রহের শিবিরের মাধ্যমে প্রায় ৪ কোটি ১০ লক্ষ টাকা সংগ্রহ করা গিয়েছে। তবে সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে বলেও জানান তিনি। ওই ভিডিও বার্তায় সরিতা শর্মা বলেন, ভারত-নিউজিল্যান্ড ম্যাচের দিন তিনি এবং তাঁর পরিবার ক্রিকেটারদের সাহায্যের আশায় তাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিলেন। স্টেডিয়ামের বাইরে একটি দান সংগ্রহের শিবিরও বসানো হয়েছিল। কিন্তু তাতে পর্যাপ্ত অর্থ সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। সেই কারণেই তিনি বিরাট কোহলি এবং রোহিত শর্মার সঙ্গে দেখা করার চেষ্টা করেন, কারণ তাঁর দাবি অনুযায়ী, এই দুই ক্রিকেটার আগেও অসুস্থ শিশুদের সাহায্য করেছেন।

সরিতা আরও জানান, চরম হতাশা এবং সন্তানের প্রাণ বাঁচানোর তাগিদ থেকেই তিনি রোহিত শর্মা যে হোটেলে ছিলেন, সেখানে পৌঁছন। আবেগের বশেই তিনি রোহিতের হাত ধরে ফেলেন বলে স্বীকার করেন তিনি। তবে তাঁর উদ্দেশ্য কোনওভাবেই সেলফি তোলা বা ব্যক্তিগত খ্যাতি অর্জন ছিল না বলে দাবি করেন ওই মহিলা। ভিডিও বার্তার শেষ অংশে সরিতা শর্মা নিজের আচরণের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তিনি রোহিত শর্মা এবং বিরাট কোহলির উদ্দেশে আবেদন জানিয়ে বলেন, তাঁরা যদি তাঁর বার্তা পান, তাহলে যেন তাঁর সন্তানের চিকিৎসার জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন। পাশাপাশি তিনি নিরাপত্তা কর্মী এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছেও দুঃখপ্রকাশ করেন এবং বলেন, সে সময় তিনি আর কোনও পথ খুঁজে পাচ্ছিলেন না।

Related Articles