রাষ্ট্রসংঘের মঞ্চে ভারতের কড়া বার্তা: “সন্ত্রাস রপ্তানি বন্ধ করুক পাকিস্তান”
রবিবার রাত আড়াইটে নাগাদ পাকিস্তানি বিমানবাহিনীর ফাইটার জেট ৮টি এলএস-৬ বোমা ফেলে তিরাহ ভ্যালির মাতরে দারা গ্রামে।
Truth Of Bengal: রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার পরিষদের বৈঠকে পাকিস্তানকে সরাসরি আক্রমণ করল ভারত। পরিষদের অ্যাজেন্ডা আইটেম-৪ আলোচনায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারতীয় কূটনীতিক ক্ষীতিজ ত্যাগী ইসলামাবাদের খোঁচা দেয়। তাঁর বক্তব্য, যে দেশ নিজেদের সাধারণ মানুষকেই বোমা মেরে হত্যা করে, আবার সেই একই মঞ্চকে ব্যবহার করে ভারতের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ আনে, তাদের আসল মুখোশ এভাবেই প্রকাশ পায়।(United Nations)
আরও পড়ুনঃ কেষ্টপুর প্রফুল্ল কানন (পশ্চিম) অধিবাসীবৃন্দর পুজো: প্রকৃতি-মানুষের সম্পর্কের ‘বিন্যাসে’র গল্প
ক্ষীতিজ আরও বলেন, পাকিস্তান বারবার রাষ্ট্রসংঘকে ব্যবহার করে ভারতের বিরুদ্ধে উসকানিমূলক প্রচার চালাচ্ছে। অথচ বাস্তবে তারা নিজেরাই সন্ত্রাসবাদ রফতানি করছে, জঙ্গিদের আশ্রয় দিচ্ছে এবং অর্থনীতি ও রাজনীতিকে সামরিক শাসনের করাল গ্রাসে ডুবিয়ে রেখেছে। তাঁর কটাক্ষ, যারা নিজেদের দেশ চালাতে ব্যর্থ, অর্থনীতি বাঁচাতে হিমশিম খাচ্ছে, মানবাধিকার লঙ্ঘনের ইতিহাস যাদের কলঙ্কিত, তাদের উচিত অবৈধভাবে ভারতের দখলকৃত ভূখণ্ড ছেড়ে দেওয়া।(United Nations)
লিঙ্কঃ https://www.facebook.com/truthofbengal/
উল্লেখ্য, সম্প্রতি খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ভয়াবহ বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। রবিবার রাত আড়াইটে নাগাদ পাকিস্তানি বিমানবাহিনীর ফাইটার জেট ৮টি এলএস-৬ বোমা ফেলে তিরাহ ভ্যালির মাতরে দারা গ্রামে। আর তাতেই মুহুর্তের মধ্যে ধ্বংস্তূপের আকার নেই। এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল ‘তেহরিক-ই তালিবান পাকিস্তান’ জঙ্গিদের খতম করা। কিন্তু প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, হামলায় প্রাণ হারান অন্তত ৩০ জন সাধারণ মানুষ, যাঁদের মধ্যে ছিলেন মহিলা ও শিশুরাও। মুহূর্তে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয় গোটা গ্রাম।এ ঘটনায় পাকিস্তানের মানবাধিকার কমিশনও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সাধারণ মানুষের মৃত্যুর ঘটনায় পূর্ণ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছে কমিশন। ভারত পরিষদে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে—মানবাধিকার পরিষদের ম্যান্ডেট সর্বজনীন, নিরপেক্ষ ও পক্ষপাতহীন থাকা উচিত। দেশভিত্তিক ম্যান্ডেট তৈরি হলে তার প্রভাব পড়ে বিশ্বাসযোগ্যতার উপর। পাকিস্তানকে কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়ে ভারতের এই অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলেও শুরু হয়েছে আলোচনা।(United Nations)






