দেশ

Naxal Surrender: ছত্তিশগড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর বড় সাফল্য, ৩০ জন মাওবাদীর আত্মসমর্পণ

সরকারের পুনর্বাসন নীতি, উন্নয়নমূলক প্রকল্প এবং ধারাবাহিক অভিযানের ফলেই মাওবাদীরা হিংসার পথ ছেড়ে মূল স্রোতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি।

Truth of Bengal: ছত্তিশগড়ের বস্তার অঞ্চলে ফের বড় সাফল্য নিরাপত্তা বাহিনীর। এবার বিজাপুর জেলায় একসঙ্গে আত্মসমর্পণ করলেন ৩০ জন মাওবাদী।এমনটাই জানিয়েছেন রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী বিজয় শর্মা। সরকারের পুনর্বাসন নীতি, উন্নয়নমূলক প্রকল্প এবং ধারাবাহিক অভিযানের ফলেই মাওবাদীরা হিংসার পথ ছেড়ে মূল স্রোতে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানান তিনি। বিজয় শর্মা বলেন,‘সরকারের পুনর্বাসন নীতি, আধিকারিকদের সাহসিকতা এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কারণেই মাওবাদীরা আত্মসমর্পণ করছেন (Naxal Surrender)।’

আরও পড়ুনঃ TMCP প্রতিষ্ঠা দিবসে নিজের লেখা কবিতা শোনালেন মুখ্যমন্ত্রী, দেখুন ভিডিয়ো

গত সপ্তাহেই বস্তারের নারায়ণপুর জেলায় দুই মহিলা-সহ আট জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেছিলেন। তাঁদের মাথার মোট দাম ছিল ৩০ লক্ষ টাকা। এর আগে জুলাইয়ের শেষে বস্তারের পাঁচ জেলায় একসঙ্গে ৬৬ জন মাওবাদী আত্মসমর্পণ করেন, যাদের মধ্যে ৪৯ জনের মাথার উপর মোট পুরস্কার ঘোষণা ছিল ২ কোটি ২৭ লক্ষ টাকা। মাওবাদীদের সমাজে ফেরাতে ছত্তীসগঢ় সরকার দীর্ঘ দিন ধরেই বিশেষ কর্মসূচি চালাচ্ছে। ২০২০ সালে শুরু হয় ‘লোন ভারাতু’ (গোন্ড ভাষায় যার অর্থ ‘তোমার বাড়ি ফিরে যাও’) পুনর্বাসন প্রকল্প। ২০২৩ সালে চালু হয় ‘নিয়া নার নিয়াপুলিশ’ (আমাদের গ্রাম, আমাদের পুলিশ) কর্মসূচি (Naxal Surrender)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal

চলতি বছরের মার্চে মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই ঘোষণা করেন ‘নকশাল আত্মসমর্পণ ও আক্রান্তদের পুনর্বাসন নীতি ২০২৫’। এতে আত্মসমর্পণকারী মাওবাদীদের চাকরি, আর্থিক সহায়তা, আইনি সুরক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি উচ্চপদস্থ ক্যাডারদের জন্য ৫ লক্ষ টাকা অনুদান রাখার কথা বলা হয়েছে। যাঁরা লাইট মেশিনগান-সহ আত্মসমর্পণ করবেন, তাঁরাও পাবেন পাঁচ লক্ষ টাকা নগদ পুরস্কার। যে সব ক্ষেত্রে মাওবাদী ইউনিটের ৮০ শতাংশ সদস্য একসঙ্গে আত্মসমর্পণ করবেন, সেখানে দ্বিগুণ পুরস্কার প্রদান করা হবে। পুনর্বাসনের এই প্যাকেজে রয়েছে চাকরি এবং সন্তানদের শিক্ষায় সাহায্যও। অন্যদিকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ইতিমধ্যেই ঘোষণা করেছেন, ২০২৬ সালের ৩১ মার্চের মধ্যে মাওবাদীদের সম্পূর্ণ নির্মূল করার লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্র। সেই অনুযায়ী মাওবাদী অধ্যুষিত এলাকায় ধারাবাহিক অভিযান চালাচ্ছে নিরাপত্তা বাহিনী। এই আবহেই  ‘লাল সন্ত্রাস’ দমনে মিলল বড়সড় সাফল্য (Naxal Surrender)।

Related Articles