Reel Addiction: রিল ভিডিওর নেশা মদের চেয়েও মারাত্মক, মস্তিষ্কের ক্ষতি করছে চুপিসারে
গবেষণায় দেখা গেছে, মদের মতো অ্যাডিটিভ সাবস্টেন্স মস্তিষ্কে যে রিওয়ার্ড পাথওয়ে তৈরি করে একই অনুভূতি হয় স্বল্প সময়ের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা রিল ভিডিও দেখলে।
Truth of Bengal: সোশ্যাল মিডিয়া আজকাল জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। অনেকেই ইনস্টাগ্রাম, ফেসবুক, টিকটকের মতো সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে রোজগার করেন। ইনস্টাগ্রামে রিল ভিডিও, ফেসবুকে শর্ট ভিডিও পোস্ট করে আয় করা হয়। সেই সব ভিডিও দেখেন অনেক দর্শক। যত বেশি ভিউ বা লোক যত বেশি দেখবে ততই বেশি আয় হয়। আপনি মন করছেন এসব আপাত নিরীহ ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা রিল ভিডিও, ফেসবুকের শর্ট ভিডিও দেখে আপনার মনোরঞ্জন হচ্ছে। আদতে এসব রিল ভিডিও শুধু আপনার মূল্যবান সময়ই নষ্ট করছে না, স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন এসব রিল ভিডিওর সরাসরি কুপ্রভাব পড়ছে আমাদের মস্তিষ্কর ওপর। মদের চেয়েও ক্ষতি এসব রিল ভিডিও করছে মস্তিষ্কর (Reel Addiction)।
গবেষণায় দেখা গেছে, মদের মতো অ্যাডিটিভ সাবস্টেন্স মস্তিষ্কে যে রিওয়ার্ড পাথওয়ে তৈরি করে একই অনুভূতি হয় স্বল্প সময়ের জন্য সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা রিল ভিডিও দেখলে। চিনের Tianjin Normal University এর গবেষক কিয়াং ওয়াঙ গবেষণা চালান। সেই গবেষণাপত্র প্রকাশিত হয়েছে Neurolmage জার্নালে। গবেষণায় দেখা গেছে, মদ খেলে বা জুয়া খেললে মস্তিষ্কের রিওয়ার্ড পাথওয়ে যেমন ভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠে তেমনই ভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠে রিল ভিডিও দেখলেও। গোটা বিশ্বে গুরুতর অসুস্থতা হয়ে দেখা দিচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্বল্প সময়ের রিল ভিডিও দেখার নেশা (Reel Addiction)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal
স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাধারণত মদ খেলে, জুয়া খেললে যেমন ডোপামিন হরমোনের নিঃসরণ হয় তেমন ভাবে রিল ভিডিওর নেশা হলেও ডোপামিন হরমোনের নিঃসরণ হচ্ছে। মন মেজাজ ভালো থাকলে ডোপামিন হরমোনের নিঃসরণ হয়। কিন্তু এক্ষেত্রে ডোপামিন হরমোনের নিঃসরণ হলে আরও বেশি পরিমাণে রিল ভিডিও দেখার নেশা তৈরি হচ্ছে। মস্তিষ্কের প্রিফন্ট্রাল কর্টেক্স অঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করতে ও সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করে। কিন্তু এক্ষেত্রে মস্তিষ্কের এই গুরুত্বপূর্ণ অংশ সঙ্কুচিত হতে শুরু করে। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে রিল ভিডিও দেখলে শেখার ক্ষমতা কমে যায়। স্মৃতিশক্তি কমে যায়। মস্তিষ্কের হিপ্পোক্যাম্পাস অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বেশি পরিমাণে রিল ভিডিও দেখার নেশায় নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ চলে যায় (Reel Addiction)।






