আন্তর্জাতিকদেশ

Amazon: ভারতের ওপর মার্কিন শুল্ক ৫০ শতাংশ, অ্যামাজনসহ বিদেশি সংস্থাগুলোর অর্ডার বন্ধের আশঙ্কা

মূল ধাক্কা আসছে বস্ত্র রপ্তানি খাতে, যা আমেরিকার বাজারে ভারতের অন্যতম প্রধান সরবরাহ ক্ষেত্র।

Truth of Bengal: ভারতীয় পণ্যের উপর মার্কিন শুল্ক দ্বিগুণ হয়ে ৫০ শতাংশে পৌঁছনোর জেরে ভারত থেকে অর্ডার নেওয়া বন্ধ করতে চলেছে ই-কমার্স জায়ান্ট অ্যামাজন।একই পথে হাঁটতে পারে ওয়ালমার্ট, টার্গেট, গ্যাপের মতো সংস্থাগুলিও।মূল ধাক্কা আসছে বস্ত্র রপ্তানি খাতে, যা আমেরিকার বাজারে ভারতের অন্যতম প্রধান সরবরাহ ক্ষেত্র। বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেন, রাশিয়া থেকে তেল কেনা অব্যাহত রাখায় ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানো হবে (Amazon)।

আরও পড়ুন: খুন হুমা কুরেশির ভাই, গাড়ি পার্কিং-কে কেন্দ্র করে বিবাদ, প্রকাশ্যে ভিডিও

ফলে ভারতীয় পণ্যের উপর মোট শুল্ক দাঁড়াচ্ছে ৫০ শতাংশ। এক্সিকিউটিভ অর্ডারে উল্লেখ করা হয়েছে, নতুন শুল্কহার কার্যকর হবে ২১ দিন পর থেকে। এই সিদ্ধান্তের ফলে বস্ত্র রপ্তানি সবচেয়ে বড় আঘাত পেতে চলেছে। বিভিন্ন প্রকার বস্ত্রের উপর শুল্কহার দাঁড়াচ্ছে যথাক্রমে ৬৩.৯ শতাংশ এবং ৬০.৩ শতাংশ। এর জেরে ভারত থেকে বস্ত্র আমদানি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে বেশ কিছু মার্কিন ই-কমার্স সংস্থা।বিশ্বে ভারতের অবস্থান এখন টেক্সটাইল ও পোশাক রফতানিতে ষষ্ঠ।কিন্তু আমেরিকার নতুন শুল্কের ফলে ভারতের রফতানির বাজার চলে যেতে পারে বাংলাদেশ বা ভিয়েতনামের হাতে। কারণ ওই দেশগুলির উপর আমেরিকার শুল্ক মাত্র ২০ শতাংশ।সেই জায়গায় ভারতের ক্ষেত্রে তা দাঁড়াবে ৫০ শতাংশে (Amazon)।

Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/share/1ADtx3ZZeU/

এই পরিস্থিতিতে ভারতের পোশাক শিল্প একযোগে সরকারের কাছে হস্তক্ষেপে দাবি জানিয়েছে। শিল্পমহলের মত, ‘জাতীয় স্বার্থে আমরা হয়তো কিছুটা ক্ষতি সহ্য করতে পারি। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে সুরক্ষার জন্য কেন্দ্রকে দ্রুত কূটনৈতিক হস্তক্ষেপ করতে হবে।’ বিশেষজ্ঞদের মতে, এই বাড়তি শুল্কের ফলে মার্কিন বাজারে ভারতীয় পণ্যের দাম ৩০-৩৫ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যাবে, যা ক্রেতাদের কাছে কম আকর্ষণীয় হবে।অনুমান করা হচ্ছে, আমেরিকায় রপ্তানি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যেতে পারে। বিপুল শুল্কের কারণে অনেক ভারতীয় ব্যবসায়ী রপ্তানিতে আগ্রহ হারাচ্ছেন। এতে ভারতীয় অর্থনীতিতেও নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। তবে ভারত থেকে অর্ডার বন্ধের বিষয়ে অ্যামাজন বা অন্যান্য সংস্থা এখনও সরকারিভাবে কোনও মন্তব্য করেনি (Amazon)।

Related Articles