এই গরমে শরীর ভালো রাখতে খাদ্য তালিকায় রাখুন এই সমস্ত খাবার
What habits should you keep in your list to survive the intense heat? Take a look at this at a glance
Truth Of Bengal: পিয়াসা সাহা: কখনও গরম আবার কখনও হালকা ঠাণ্ডা আবহাওয়া। কিন্তু এই আবহাওয়াতেই যেন শরীরের অবস্থা নাজেহাল হয়ে পড়ছে। সাথে বাড়ছে শরীরে নানান রোগের দেখা। কিন্তু সেই রোগ যেন সহজে সারতেই চায়না। সেইসব রোগের মধ্যে কখনও জ্বর আবার কখনও বাড়ছে শ্বাসকষ্টের সমস্যা।
আবার কখনও এই গরম থেকে ক্রমাগত নানান পেটের সমস্যা- ডায়েরিয়া, বমি, হজমের গোলমাল লেগেই রয়েছে। আর দিনের পর দিন শরীরে নানান রোগের দেখা দেওয়ায় খাওয়ার ইচ্ছাও যেন ক্রমশ কমে যাচ্ছে। যার কারণে শরীরে দুর্বলতার দেখা মিলছে। তবে এই সকল সমস্যা থেকে নিরাময় পেতে এই গরমে নিজেকে সুস্থ রাখতে হলে মেনে চলতে হবে কিছু সঠিক নিয়ম। তবে আজ জেনে নিন এই সকল সমস্যা থেকে কীভাবে রেহাই পাবেন ও তার জন্য কি কি করনীয়।
যে সকল অসুখের প্রকোপ বাড়ে-
এই গরমে দেখা দিচ্ছে জ্বর, পে়টখারাপ, টাইফয়েডের মত সমস্যা। আর এইসকল রোগ হওয়ার পিছনে মূল কারণ তীব্র গরম। তবে এই গরম থেকে বাঁচতে আমরা যেই ভুল সবার আগে করে থাকি তা হল শরীরকে ঠাণ্ডা করতে বাইরের গরম থেকে সোজা এসি রুমে প্রবেশ করি।
পাশাপাশি আমরা নিজেদের তেষ্টা মেটাতে পান করে থাকি ঠাণ্ডা জল। যার কারণে খুব সহজেই আমাদের গলায় তার প্রভাব পরে। যার থেকেই এই গরমে আচমকাই ঠাণ্ডা লেগে যায়। পাশাপাশি এর ফলে ফুসফুসেও ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ হয়। আবার এই গরমে শরীর শুকিয়ে গিয়ে মূত্রনালিতে সংক্রমণও বাড়ে। এরপর যদি এই সময় জ্বর আসে তা নিয়ে চলবে টানা চার- পাঁচদিন। সেই জ্বরে প্রবল ব্যথা তো আছেই সঙ্গে গ্যাস-অম্বলের সমস্যাও দেখা দেয়। আবার এই সময়ে চিকেন পক্সের প্রকোপও বাড়ে।
এই গরমে কি কি খাওয়াদাওয়া করবেন?
এই গরমের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল শরীরে জলশূন্যতা। এর থেকে বাঁচতে যেমন জল, তরল খাবার বেশি করে খেতেই হবে, তেমনই অত্যধিক মশলাযুক্ত খাবার এবং অতিরিক্ত ফ্যাটযুক্ত খাবার খাওয়া বন্ধ করতে হবে। সকালে জলখাবারে খুব বেশি প্রোটিন খাবেন না এই সময়ে। দুধ খেলে তার সঙ্গে কর্নফ্লেক্স বা ওটস খাওয়া যেতে পারে। না দলে দই-চিঁড়ে, দইয়ের ঘোল দিয়ে তৈরি ওটস খেতে পারেন।
বয়স্করা ছানা, ওটস খেতে পারেন। পেট খালি না রেখে থেকে দুটো কলা খেয়ে নিতে পারেন। সকালে খালি পেটে চা বা কফি খাওয়ার অভ্যাস বন্ধ করুন। বদলে সারা রাত ভিজিয়ে রাখা মেথির জল, মৌরি-মিছরি ভেজানো জল খান। এক লিটার জলে শসার টুকরো, পুদিনা পাতা ভিজিয়ে রাখুন। সেই জল অল্প অল্প করে সারা দিন খান।
দুপুরের খাবারও হালকা হতে হবে। গরমের সময়ে রুটির চেয়ে পরিমাণ বুঝে বরং ভাত খাওয়াই ভাল। যাঁদের অম্বলের সমস্যা বেশি তাঁরা এক কাপের মতো ভাত, সঙ্গে পাতলা করে রান্না ডাল, মাছের পাতলা ঝোল খেতে পারেন। যদি ফলের রস বা তরল খাবার বেশি খান, সেক্ষেত্রে ২ লিটারের মতো জল পান আবশ্যক।
বেশি করে তরমুজ খাওয়া যেতে পারে। যা ক্যানসার, উচ্চ রক্তচাপ, হার্ট অ্যাটাকের মতো নানা শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি কমায়। পেটের স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও এর ভূমিকা কম নয়। সব্জির মধ্যে উচ্ছে, কুমড়ো, রাঙা আলু, সজনে ডাঁটা রোজের ডায়েটে রাখার চেষ্টা করবেন। এই সব খাবার সংক্রমণজনিত অসুখ বিসুখ থেকে বাঁচাবে।






