আর্থিক তছরুপের অভিযোগ মারিনের বিরুদ্ধে, কি সাজা দিল আদালত ?
What was the court's sentence for financial embezzlement allegations against Marin?
Truth Of Bengal: আর্থিক তছরুপের অভিযোগে চার বছরের কারাদণ্ড পেলেন ফরাসি রাজনীতিবিদ মারিন ল্য পেন। চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণার অভিযোগও রয়েছে এই নেত্রীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ প্রায় ২৯ লক্ষ ইউরো দুর্নীতি করেছেন তিনি।
জনসাধারণের তহবিলের টাকা নিয়ে নিজের দল ন্যাশনাল র্যালির কর্মী নিয়োগ করেছেন মারিন। আর এই অভিযোগে তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। ৪ বছরের কারাদণ্ডের সাজা ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ৫ বছরের জন্য নির্বাচনে লড়তে পারবেন না মারিন। অর্থাৎ ২০২৭ সালে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না এই রাজনীতিবিদ। আদালতের এই ঘোষণার পরেই তাঁর দলের সদস্য ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।
জানা যায়, এই আর্থিক তছরুপ এবং প্রতারণার ঘটনায় মারিনের সঙ্গে তাঁর দলের আরও ৮ জন নেতা দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন ১২ জন সহকারীও। যদিও এই অভিযোগ মানতে নারাজ মারিন। সাজা ঘোষণার মাঝেই আদালত থেকে বেরিয়ে আসেন নেত্রী।
আদালত ঘোষণা করে, ৪ বছরের কারাদণ্ডের পাশাপাশি নির্বাচনে লড়ার ক্ষেত্রে রয়েছে নিষেধাজ্ঞা। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলেও এই সিদ্ধান্তের নড়চড় হবে না। এই মামলাটিকে ‘জুডিশিয়াল ওভাররিচ’ অর্থাৎ আদলতের এক্তিয়ারের বহির্ভূত সিদ্ধান্ত বলে মনে করছে মারিনের দল। কিন্তু ঠিক কিভাবে আর্থিক দুর্নীতি করতেন মারিন ? জানা যায়, সংসদীয় সহকারী পদে চাকরি দেওয়ার খরচ দেখিয়ে লোক নিয়োগ করা হত। তারপর তাদের প্রচারের কাজে লাগানো হত। বিরোধীরা মারিনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে মামলা করে।






