আন্তর্জাতিক

পণবন্দি মুক্তির আশায় নতুন দিশা, যুদ্ধবিরতির পথে ইজরায়েল-হামাস

Israel-Hamas on the verge of ceasefire, new direction in hopes of hostage release

Truth Of Bengal: একটা আস্ত দেশ কার্যত নরকে পরিণত হওয়ার পর অবশেষে ইজরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটল হামাস। কাতারের রাজধানী দোহায় আলোচনার মাধ্যমে এই যুদ্ধবিরতি চুক্তির খুঁটিনাটি দিকগুলি চূড়ান্ত করা হচ্ছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন জানিয়েছে, চুক্তি অনুযায়ী হামাস শীঘ্রই ৩৩ জন পণবন্দিকে মুক্তি দেবে। এর বদলে ইজরায়েল ও হামাসের মধ্যে ৪২ দিনের যুদ্ধবিরতি কার্যকর হবে।

গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার প্রতিশোধ নিতে ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু যুদ্ধ ঘোষণা করেন। তারপর থেকেই গাজা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সাক্ষী। মাঝে বেশ কয়েকবার যুদ্ধবিরতির চুক্তি হলেও তা দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। হামাস এখনো ৯৪ জন পণবন্দিকে আটকে রেখেছে, যাদের মধ্যে ইজরায়েলের দাবি অনুযায়ী ৩৩ জন জীবিত রয়েছেন।

হামাসের পণবন্দি মুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন। ফ্লোরিডায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে ট্রাম্প বলেন, “যদি পণবন্দিদের না ফেরানো হয়, নরক নেমে আসবে।” অন্যদিকে, কাতার ও মিশর দীর্ঘদিন ধরে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকায় কাজ করছে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ইজরায়েলের দখলে থাকা গাজার অঞ্চল ফেরত দেওয়া হতে পারে। এতে আবার বসবাস করতে পারবেন গাজার বাসিন্দারা। উল্লেখ্য, ৭ অক্টোবরের হামলায় হামাস ইজরায়েলের ১২০০ মানুষকে হত্যা করেছিল, আর পাল্টা হামলায় গাজায় নিহত হয়েছে ৪৬,৫৬৫ জন। এই যুদ্ধবিরতি চুক্তি মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে। তবে চুক্তির শর্ত মেনে চলা এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা কতটা সম্ভব, তা সময়ই বলবে।

Related Articles