ওপার বাংলা

ফেব্রুয়ারিতেই বাংলাদেশে ভোট, রাজনৈতিক উত্তেজনা তুঙ্গে

কিন্তু নিষেধাজ্ঞার জেরে হাসিনার দল আওয়ামি লিগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না।

Truth Of Bengal: আগামী বছর রয়েছে বাংলাদেশে নির্বাচন। তার আগে প্রত্যকটি রাজনৈতিক দল এখন  ময়দানে। এই আবহেই প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ইলেকশনের জোয়ার সারাদেশের সব জায়গায় এসেছে। তিনি বলেন, ‘ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধেই হবে সুষ্ঠু ভোট। এ লক্ষ্যে প্রধান উপদেষ্টাসহ সবাই দিনরাত কাজ করছেন।’

শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ‘নির্বাচনী ইশতেহারে প্রযুক্তির ব্যবহার’ শীর্ষক সেমিনারে তিনি একথা বলেন। তিনি বলেন, মানুষ সঠিক সুশাসন চায়। কিন্তু সেই সুশাসন একদিনে সম্ভব নয়। সংস্কার নিয়ে বিভিন্ন দেশে ১০- ১৫ বছর ধরে আলোচনা চলে।

নেপাল প্রসঙ্গে শফিকুল আলম বলেন, নেপালে সরকার বদলানোর পর সেখানে সুশাসন এসেছে। কর্মসংস্থান তৈরি করা পরবর্তী সরকারের জন্য চ্যালেঞ্জ হবে মন্তব্য করে প্রেস সচিব বলেন,‘এআই এখানে বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে’। রেলের প্রজেক্ট প্রসঙ্গে বলেন, পাঁচ বিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করা হয়েছে। আগামী সরকারকে অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে।’

প্রসঙ্গত, দেশ ছেড়ে বেরিয়ে আসার পর গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ভারতের আশ্রয়ে রয়েছেন। বাংলাদেশে কি আর কখনও ফেরা হবে শেখ হাসিনার। এই প্রশ্ন রয়েছে আওয়ামি লিগের কর্মীদের মধ্যে। সব ঠিক থাকলে আগামী বছরই সাধারণ নির্বাচন হতে চলেছে বাংলাদেশে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞার জেরে হাসিনার দল আওয়ামি লিগ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবে না। যে কারণে নির্বাচন বয়কটের ঘোষণাও করেছে তারা।  হাসিনা তিনি এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, বাংলাদেশে পরবর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হওয়ার কথা আগামী বছর ফেব্রুয়ারি মাসে। ‌তিনি আরও জানান, আপাতত তিনি ভারতেই থাকবেন।  ইতিমধ্যেই বিএনপির তরফ থেকে বারবার অভিযোগ করা হয়েছে  নির্বাচন পিছিয়ে দেওয়ার ষড়যন্ত্র চলছে। বিএনপি অভিযোগ করে সরকারের একাংশ ক্ষমতা ছাড়তে চাইছে না। তাই ভোটের কিছুমাস আগেই বিএনপির তরফ থেকে প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। সরগরম রাজ্য-রাজনীতি।

Related Articles