Truth Of Bengal: ২০০৭ সালে সেনা সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে দুর্নীতির অভিযোগে জেলে যেতে হয়েছিল তারেক রহমানকে। ১৮ মাস কারাগারে থাকার পর ২০০৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তিনি মুক্তি পেয়ে সপরিবারে লন্ডনে চলে যান। এরপর দীর্ঘ ১৭ বছর দেশ ছাড়াই কাটান।
১৭ ফেব্রুয়ারি তারেক রহমান নতুন অধ্যায়ের সূচনা করলেন। এ দিন তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেন। রাষ্ট্রপতি মহম্মদ সাহাবুদ্দিন তাকে শপথবাক্য পাঠ করান। দুই যুগ পর পদ্মাপারের রাজনীতির নিয়ন্ত্রণ ফের বিএনপির হাতে আসে। এটি প্রথমবারের মতো খালেদা জিয়ার ছেলে বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার সদস্য হন। শপথ নেওয়ার আগে তারেক জানান, পিন্ডি বা দিল্লি নয়, তার প্রাধান্য দেশের স্বার্থে থাকবে। এখন সব নজর তাঁর নেতৃত্বের বিদেশনীতি এবং মসনদে কী সিদ্ধান্ত নেবেন সেই দিকে।
তারেক রহমানের নেতৃত্বে ৫০ সদস্যের মন্ত্রিসভায় ২৫ জন পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন। তাদের মধ্যে তিনজন মহিলা রয়েছেন। ফারজানা শারমিন পুতুল এবং শামা ওবায়েদকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আফরোজা খানম রিতা পূর্ণমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। মন্ত্রিসভার একমাত্র সংখ্যালঘু মন্ত্রী হলেন নিতাই রায় চৌধুরী, যিনি মাগুরা-২ আসন থেকে জয়ী হয়েছেন।
৭৭ সালের জন্ম নেওয়া নিতাই রায় চৌধুরী ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। এরশাদের সময় তিনি দেশের মন্ত্রী ছিলেন। ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে কোটা বিরোধী আন্দোলন জোরালো হয়। সেই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয় বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। আন্দোলনের জেরে তাঁকে পদত্যাগ করতে হয়। এরপর অন্তর্বর্তী সরকার গড়ে উঠে, যার নেতৃত্ব দেন শান্তিতে নোবেলজয়ী, অর্থনীতিবিদ মুহাম্মদ ইউনূস। ১৮ মাস ধরে তিনিই পদ্মাপারের শাসনভার সামলান। এবার সাধারণ মানুষের ভোটে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার গঠন করল।




