রাজ্যের খবর

ভোটার তালিকায় বাংলাদেশী! ছিলেন কোটা বিরোধী আন্দোলনেও

Bangladeshis in Kakdwip's voter list! also involved in the anti-quota movement

Truth Of Bengal: আবারও কাকদ্বীপের ভোটার তালিকায় বাংলাদেশী (Bangladeshi) ভোটার। তিনি যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশের কোটা বিরোধী আন্দোলনে। নাম নিউটন দাস। তাঁর সঙ্গে তৃণমূল (TMC) ছাত্র পরিষদের সুন্দরবন সাংগঠনিক জেলার সভাপতি দেবাশিস দাসের ভাইরাল হওয়া ছবি হইচই ফেলে দিয়েছে চারিদিকে। এখানেই শেষ নয়, কাকদ্বীপ পঞ্চায়েত সমিতির শিক্ষা কর্মাধ্যক্ষ প্রদীপ প্রামাণিক তাঁকে ‘ভাল ছেলের’ও তকমা দিয়েছেন। ঘাসফুল শিবিরের বক্তব্য, তাঁরা জানেনা নিউটন বাংলাদেশী। অন্যদিকে বিজেপির বক্তব্য, বাংলাদেশীরাই তৃণমূলের হয়ে ভোট করায়।

[আরও পড়ুন: চুরি হয়ে যাচ্ছে নিকাশি খাল, মাথায় হাত চাষিদের]

ঘটনা প্রসঙ্গে অবশ্য দেবাশিস দাস অন্য কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “ছোটবেলা থেকেই আমরা একসঙ্গে পড়তাম। বন্ধুর জন্মদিনে কেক কাটার অনুষ্ঠানে আমরা ছিলাম।” স্থানীয় বিধায়ক মন্টুরাম পাখিরা দাবি করেন যে তিনি চেনেন না নিউটনকে। তবে বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় ঘটনা প্রসঙ্গে বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, “এখানে এরম বহু বাংলাদেশীর নাম ঢোকানো হয়েছে ভোটার তালিকায়। এরাই তো ভোট করায় তৃণমূলের হয়ে। বিজেপি ক্ষমতায় এলে নাগরিকত্ব দেবে তাদের যারা সিএএর অধীনে তা পাওয়ার যোগ্য। অসমে যেমন ডিটেনশন ক্যাম্পে পোড়া হয়েছে, বাকিদের তেমন করা হবে।”

[আরও পড়ুন: আম বাগানে ছড়িয়ে রয়েছে একাধিক তাজা বোমা! আতঙ্কে এলাকাবাসীরা]

তবে নিউটন দাস ও তাঁর দাদা তপন দাসের কথায় কোনো মিল নেই। নিউটন বলেন, “২০১৪ থেকেই আমি ভারতের ভোটার। ২০১৭ সালে ভোটার কার্ড হারিয়ে যায় এবং পরের বছর বিধায়কের সাহায্যে ভোটার কার্ড বানাই। গতবছর বাংলাদেশ গিয়ে কোটা বিরোধী আন্দোলনে জড়িয়ে পড়েছিলাম।” অন্যদিকে দাদা তপন দাস বলেন, “ও আমার কাছে পড়াশোনা করতে এসেছিল ২০২০ সালে করোনার পর। কোথায় থাকে এখন, তা জানিনা। ভোটার তালিকায় ওর নাম কি করে এলো, তা আমার জানা নেই।” নিউটনের বাংলাদেশী পরিচয় এবং কোটা বিরোধী আন্দোলনে যোগ থাকা প্রকাশ্যে আসা বড় চাপে ফেলেছে শাসকদলকে। এবার দেখার বিষয় তৃণমূল কি বলে।

Related Articles