Sand Scam: মেদিনীপুরে বালি ব্যবসায়ী ও কর্মীর বাড়িতে ইডি-র হানা, উদ্ধার ৭৬ লক্ষ টাকা
ED সূত্রে দাবি, কিছু বালি খাদান লিজ নিয়ে নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত বালি তোলা হয়েছে, যা থেকে বড় অঙ্কের অর্থ বেআইনিভাবে আত্মসাৎ হয়েছে।
Truth of Bengal: রাজ্য সরকারের অনুমোদনপ্রাপ্ত বালি খাদান থেকে রাজস্ব আসার কথা রাজ্য সরকারের কোষাগারে। অথচ, সম্প্রতি ওই বৈধ খাদান থেকেই বেআইনিভাবে অতিরিক্ত পরিমাণে বালি তোলা ও পাচারের অভিযোগ ঘিরে ফের প্রশ্ন উঠেছে প্রশাসনিক ভূমিকা নিয়ে। স্থানীয় থানায় FIR হলেও, তার পর কোনও বড়সড় আইনি পদক্ষেপ দেখা যায়নি বলে অভিযোগ উঠছে। এবার সেই FIR-এর ভিত্তিতেই তদন্তে নামল কেন্দ্রীয় সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। তদন্তকারীদের মূল লক্ষ্য এখন, অবৈধ বালি কারবার থেকে অর্জিত বিপুল পরিমাণ কালো টাকা কোথায় গেল, কার কার হাতে তা ঘুরেছে, এবং সেই টাকার সাদা হওয়ার পেছনে কারা জড়িত (Sand Scam)।
আরও পড়ুনঃ Bengal Weather: বৃষ্টিতে ভাসবে পুজোর প্রস্তুতি? দক্ষিণ ও উত্তরবঙ্গে টানা বৃষ্টির ইঙ্গিত
ED সূত্রে দাবি, কিছু বালি খাদান লিজ নিয়ে নির্ধারিত সীমার বাইরে গিয়ে অতিরিক্ত বালি তোলা হয়েছে, যা থেকে বড় অঙ্কের অর্থ বেআইনিভাবে আত্মসাৎ হয়েছে। এই অর্থ GD মাইনিং প্রাইভেট লিমিটেড-এর মাধ্যমে ঘুরপথে কোথাও পৌঁছেছে কি না, এবং তা কোনও প্রভাবশালীর কাছে পৌঁছেছে কি না, সেই দিকেই এখন নজর তদন্তকারীদের। পাশাপাশি কালো টাকা সাদা করার সম্ভাবনার দিকেও নজর দিচ্ছে ইডি (Sand Scam)।
এই তদন্ত চলাকালীন মেদিনীপুরে এক বালি ব্যবসায়ী সৌরভ রায়ের বাড়িতে ইডি হানা দেয় এবং প্রায় ১৪ ঘণ্টার তল্লাশিতে উদ্ধার হয় ৬৪ লক্ষ টাকার নগদ। নোটের বান্ডিল মিলেছে বাড়ির বিভিন্ন জায়গায় লুকানো অবস্থায়। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি ও মোবাইল ফোনও। অন্যদিকে, গোপীবল্লভপুরের নয়াবসান এলাকার GD মাইনিং প্রাইভেট লিমিটেড-এর এক কর্মী শেখ জহিরুল আলির বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার হয় আরও ১২ লক্ষ টাকা। সূত্র অনুযায়ী, জহিরুল একসময় ছিলেন সাইকেল মিস্ত্রি, পরে ভিলেজ পুলিশ হিসেবে কাজ পান। আজ তিনি এক বহুতল অট্টালিকার মালিক—যা দেখে চমকে উঠেছেন তদন্তকারীরা (Sand Scam)।
Truth of Bengal fb page: https://www.facebook.com/truthofbengal
ইডি সূত্রের আরও দাবি, কিছু মাস আগেই বর্ধমান রেঞ্জে জাতীয় সড়কে বালি বোঝাই কয়েকটি ট্রাক আটক করে পুলিশ। তখন কাগজপত্র চাওয়ায় GD মাইনিং-এর জাল নথি দেখানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনায় বর্ধমান থানায় FIR দায়ের করেছিল পুলিশ। এখন সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই গোটা পাচারচক্রে কারা জড়িত, এবং কোনও প্রভাবশালীর নাম উঠে আসে কি না, তা জানতে জোরকদমে তদন্ত চালাচ্ছে কেন্দ্রীয় সংস্থা (Sand Scam)।






